অপপ্রচার করে জাতীয়তাবাদী শক্তির শিকড় উপরে ফেলা যাবে না: রিজভী 

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম

অপপ্রচার আর মিথ্যা দিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তির শিকড় উপরে ফেলা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, সামনে নির্বাচন। এই নির্বাচনটা আমাদের একটা সংগ্রামের মতো বিজয় ঘটাতে হবে। কারণ চারিদিকে নানা চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার, মিথ্যাচার এবং আজকে প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা বট বলে একটা জিনিস তৈরি হয়েছে। এই প্রোপাগান্ডা বট দিয়ে মানুষের চরিত্রহনন, কুৎসা রটনা, অপপ্রচারের যেন শেষ নেই।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় শিল্প কলা চিত্রশালা মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার প্রচারণার মূলক সঙ্গীত উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, যারা গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন সংগ্রাম করল, যারা গুপ্ত এবং সুপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগের বোরখার নিচে যারা থাকেনি, আওয়ামী লীগের আবরণের মধ্যে যারা থাকেনি, যারা সত্য এবং ন্যায়কে সুস্পষ্টভাবে রুদ্রালোকের মধ্যে যারা বলেছে, তাদের বিরুদ্ধে আজকে কেন জানি মনে হচ্ছে সুপরিকল্পিতভাবে, এক ধরনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালানোর চেষ্টা চালা চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির শিকড় এত গভীরে যে একটা গাছ বা বটগাছের যে শিকড় যতদূরে যায় তার চাইতেও অনেক গভীরের শিকড়। এই শিকড়কে অপপ্রচার দিয়ে, মিথ্যার করে ঝলকানি দিয়ে এটিকে ঢেকে রাখা যাবে না। এটাকে নুইয়ে ফেলা যাবে না। এটা একেবারে সোজা মেরুদণ্ড নিয়ে এ দাঁড়িয়ে থাকবে।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, এই সমস্ত কুৎস অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমাদের কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, গীতিকার, অভিনয় শিল্পী, সুরকার যা আছেন সবাই মিলে আপনাদের সুললিত ধ্বনি, আপনাদের অত্যন্ত শক্তিশালী শব্দ, সবগুলোকে ব্যবহার করে আমরা এই অপপ্রচারের যে কষাঘাত চলছে, সেটাকে আমরা পরাজিত করব। আমরা সত্য, ন্যায় এবং ধানের শীষের নিশ্চিত বিজয় ঘটাতে সম্পন্ন হব।

জাসাস নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, সবসময় বলেছি তোমাদের মিছিল করতে হবে না। তোমাদের এই স্লোগান দেওয়ার দরকার নাই। তোমরা যারা এখানে আছো তারা অবশ্যই আমরা বুঝব। জাসাসের প্রোগ্রামে আসলেই বুঝব এখানে আমি কবিদের মাঝে মাঝে এসছি। এখানে আমি লেখকদের মাঝে এসছি। এখানে আমি কণ্ঠশিল্পীদের মাঝে এসছি। এখানে গীতিকারদের মাঝে এসছি এবং এই তাদের সান্নিধ্য আমাকে আমার যে বর্তমান সাংস্কৃতিক অবস্থান সে সাংস্কৃতিক অবস্থানকে পরিবর্তন করে দেয়। রুচির পরিবর্তন করে দেয়। এই সমস্ত ব্যক্তিবর্গের সান্নিধ্যে থাকলে একজন মানুষের রুচির পরিবর্তন হতে পারে। তার যে ভাষা এবং শব্দ তার কন্ঠের সুর তার উদ্দীপনামূলক গান সবকিছুই একজন মানুষ সে যে সামাজিক অবস্থান থেকে উঠে আসে, সেই সামাজিক অবস্থানটা পরিপূর্ণ পরিবর্তন ঘটিয়ে তাকে একেবারে মানে এত অসাধারণ উন্নত রুচিসম্পন্ন মানুষে পরিণত করতে পারে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহপ্রচার সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহিন, আয়োজক সংগঠনের সভাপতি চিত্রনায়ক হেলাল খান, কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত