ঢাকা-৪ আসনের (শ্যামপুর-কদমতলী) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, এই এলাকার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা এখন পর্যন্ত ঢাকার সবকয়টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। আমাদের এলাকার মানুষের কাছে যখনই আপনি কোনও প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবেন তার উত্তর হবে না অথবা নেই।
তিনি বলেন, শ্যামপুর-কদমতলী এলাকায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের বসবাস বেশি। যেখানে একটু সামনে গেলে পুরান ঢাকার মানুষ সরকারি সমস্ত সুবিধা ভোগ করে সেখানে আমাদের এলাকার মানুষ সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। সিটি কর্পোরেশনের আওতায় থেকেও আমরা কখনও সিটি কর্পোরেশনের সেবা পায়নি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে রাজধানীর নির্বাচনী আসন১৭৭ ঢাকা-৪ এর কদমতলী থানাধীন ৬১ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
রবিন বলেন, আপনি আমাকে যেখানেই প্রশ্ন করবেন শুধু না আর নেই। আমাদের দুর্ভোগ আগেও ছিল এখনও আছে। বিগত একমাস ধরে এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট, শুধুমাত্র রান্না করার জন্য আমাদের তিনটি জায়গায় অর্থ প্রদান করতে হচ্ছে। তিতাস গ্যাসের বিল দিচ্ছি, গ্যাস না থাকাই বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছি আবার বিদ্যুৎ না থাকলে এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করছে। আমাদের এলাকা ঢাকা শহরে অবস্থিত হলেও আপনি এখানে কাঁচা রাস্তা দেখতে পাবেন। অধিকাংশ সড়কেই ল্যাম্পপোস্ট নাই, যদিও কোথাও দেখা যায় একটা কাজ করে না। কমিউনিটি সেন্টার, খেলার মাঠ, পার্ক বা পরিবার নিয়ে ঘোড়ার মতো কোনও জায়গা নেই।
আগামীতে নিজ নির্বাচনী এলাকাকে সুখী-সমৃদ্ধ এবং স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশটি অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের কাছে গিয়ে সমস্যা খুঁজে বের করে বিশটি অঙ্গীরার করেছি। যার ভেতর অনেকগুলো আমরা সবাই মিলে কাজ করলে সমাধান করা যাবে আর কিছু সমস্যার সমাধান এলাকার মানুষই করতে পারবে। এ ছাড়া যে সমস্যাগুলো মেজর সেগুলো আমরা সংযুক্ত মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে করতে চেষ্টা করব। আগামীতে শ্যামপুর-কদমতলী এলাকার মানুষ কোনও সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে না এমন প্রতিশ্রুতিও দেন এই নেতা।
সাধারণ মানুষের কেমন সাড়া পাচ্ছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি এই এলাকার সন্তান এই মাটিতেই বেড়ে উঠেছি এলাকার প্রতিটি অলিগলি আমার পরিচিত। আমার মনে হয় না আমার থেকে এই এলাকার প্রতি নাড়ির টান কারো বেশি আছে। এই এলাকার সকল মানুষ আমার আপনজন। সুতরাং তাদের কাছে নতুন করে সাড়া পাওয়ার কিছু নেই। আমি বিশ্বাস করি তারা আমার প্রতি আস্থা রেখে আগামীতে আমাকে তাদের জন্য কাজ করার সুযোগ করে দেবে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ধারাভাষ্য প্যানেলে আতহার আলী খান
আমাকে না দিলেও পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন
রাজধানীর উত্তর বাড্ডা ও ধলপুরে যৌথবাহিনীর অভিযান
যমুনার নিরাপত্তায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন