গোলাম আজমকে ভাষা সৈনিক হিসেবে প্রচারের মাধ্যমে জঘন্য মিথ্যাচার করছে জামায়াতে ইসলামী বলে মন্তব্য করেছেন গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সাবেক আহ্বায়ক ও জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা আব্দুল কাদের। তিনি বলেন, এ ধরণের নোংরামি বরদাশত করা হবে না।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জামায়াতের কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল কাদের তাঁর পোস্টে লিখেছেন, বাধ্য হয়ে হোক কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে হোক, জামায়াত-শিবির তাদের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনছে-এটি স্বাগত জানানোর মতো। তবে তাদেরকে ইসরাইলি ইহুদিদের মতো মানসিকতা পরিহার করতে হবে। তিনি বলেন, মানবিক আশ্রয়ের বিপরীতে জোরপূর্বক দখলদারিত্বের চিন্তাচেতনা তাদের মধ্যে পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা কাম্য নয়। আর সেটা হতে দেওয়া হবে না।
গত ৫ আগস্টের পর জামায়াত-শিবির অনেক ঘটনা ঘটানোর দুঃসাহস দেখিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন এই ছাত্রনেতা। তিনি অভিযোগ করেন, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে সব কিছুর কৃতিত্ব নিজেদের হিসেবে প্রতিষ্ঠার পায়তারা করছে তারা। পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই নোংরামি থেকেও তাদের বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
আবদুল কাদের তাঁর পোস্টে আরও লেখেন, এত বছর শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে নাজায়েজ হিসেবে প্রচার করার পর এখন জামায়াত নিজেরাই ফুল দিচ্ছে। সেটি ভালো দিক বলে মন্তব্য করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কিন্তু সেটিকে অতিরিক্ত জায়েজ করার জন্য গোলাম আজমকে ভাষা সৈনিক হিসেবে প্রচার করে এহেন জঘন্য মিথ্যাচার করার প্রয়োজনীয়তা কী?
শেষে তিনি জামায়াতের প্রতি সতর্ক উচ্চারণে বলেন, আপনাদের সম্মানিত আমীরের ভাষায়-ই বলি-পরিবর্তন হচ্ছেন, হন; স্বাগত জানাবো। কিন্তু নোংরামি করবেন; বরদাশত করব না।
