রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী ইকরাম হোসেন মোল্লাকে হত্যার দায়ে দুই জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। রবিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মো. সিদ্দিক মো. শান্ত মিয়া। দন্ড প্রাপ্তদের দণ্ডবিধির ২০১/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেকের আরও ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডসহ প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।
আসামি মো. সিদ্দিককে কারাগারে আছে এবং অপর আসামি মো. শান্ত মিয়া পলাতক। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ভিকটিম ইকরাম হোসেন মোল্লা (২২), ঢাকার তেজগাঁও কলেজে অধ্যায়নরত ছিলেন। ২০২৩ সালের ৪ মে রাত সোয়া ৮ টার দিকে ইকরাম হোসেন বাসা হতে বের হয়ে আর বাসায় ফিরে আসেনি। পরে ৬ মে বেলা ১টা ৫ মিনিটে লোকমুখে সংবাদ পেয়ে জিডি তদন্তকারী অফিসার উপপরিদর্শক মো. রবিউল ইসলামসহ অন্যান্যরা খিলক্ষেত থানাধীন পাতিরা ও ডুমনির মাঝামাঝি এলাকায় ডোবায় কচুরিপানা দিয়ে ঢাকা ইকরাম হোসেন মোল্লার মৃতদেহ খুঁজে পান।
এসময় মাথার সামনে ডান ও বামপাশে, কপালের বামপাশে, গলার সামনে অংশে দুই কানের নিচ পর্যন্ত ছুরি দিয়ে কাটা দাগসহ বুকে ফুলা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
ইকরাম হোসেন মোল্লার বন্ধুদের সঙ্গে টাকা পয়সা লেনদেনের বিষয়ে বিরোধ ছিল। ওই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা খিলক্ষেত থানায় হত্যা মামলাটি করেন। একই বছরের ২৬ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খিলক্ষেত পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক খন্দকার দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটির বিচারকালে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।
