চট্রগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধদের দেখতে হাসপাতালে যান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, গ্যাস লিকেজ ও মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার বন্ধে তিন মন্ত্রণালয় কাজ করবে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দগ্ধদের দেখতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের দেশে তিন ধরনের দুর্যোগ ঘটে। তাদের মধ্যে একটি মানব সৃষ্ট দুর্যোগ। আমরা আলোচনা করে দেখেছি, এই গ্যাস লিকেজ থেকে সারা বছরই কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনা ঘটছে। গতকাল চট্টগ্রামে ঘটেছে এবং আজ কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ঘটেছে। আমরা এটা নিয়ে কাজ করতে চাই।
শিল্প এবং স্বাস্থ্যের সঙ্গে তার মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করবে জানিয়ে তিনি বলেন, গ্যাস লিকেজ থেকে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ যেসব সিলন্ডার ব্যবহার করা হয়, কীভাবে একটা নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা যায়, সেগুলো নিয়ে আমরা অল্প সময়ের মধ্যে তিন মন্ত্রণালয় বসে কাজ করব। যাতে ভবিষ্যতে এ দুর্ঘটনা থেকে কম ক্ষতি হয়, সেই ব্যবস্থাটা করার চেষ্টা করা হবে।
এসময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, বার্ন ইনস্টিটিউটে তাদেরকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। যত ধরণের মেডিসিন আছে সব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দিচ্ছে। বাকি আরও কিছু লাগলে আমরা আশ্বস্ত করেছি আমরা সেটা যোগান দেব।
বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, এদের সর্বনিম্ন ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। সবার অবস্থা আশংকাজনক। আমাদের চিকিৎসকরা সর্বচ্চো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
