পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি ও নাতনির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গভীর শোক, তীব্র ক্ষোভ ও কঠোর নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ।
আজ শনিবার সকালে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ ও সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানান।
তারা বলেন, দেশে ধারাবাহিকভাবে ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। ধর্ষকরা বারবার আইনের ফাঁক-ফোকর গলে বেরিয়ে আসছে, বিচার দীর্ঘসূত্রিতায় ঝুলে থাকছে-ফলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এ ধরনের নৃশংসতা প্রমাণ করে, অপরাধীদের মধ্যে আইনের প্রতি ন্যূনতম ভয়ও অবশিষ্ট নেই।
নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি সভ্য রাষ্ট্রে নারীর সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবে নারী ও শিশু আজ ঘরেও নিরাপদ নয়, মাঠেও নয়। দাদি-নাতনির মতো নির্মম হত্যাকাণ্ড ও সম্ভাব্য ধর্ষণের ঘটনা জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই-এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তারা আরও বলেন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, তদন্ত প্রক্রিয়ায় গাফিলতি রোধ এবং অপরাধীদের রাজনৈতিক-সামাজিক প্রভাবমুক্ত বিচারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে, যাতে সমাজ থেকে এই ঘৃণ্য ব্যাধী নির্মূল হয়।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলে, যদি দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করা হয়, তবে দেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আমরা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের গ্রেপ্তার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকরের জোর দাবি জানাচ্ছি।
