জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে ভোট বিপ্লব হয়েছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে। নির্বাচনে যে জামায়াতের বিপক্ষে কারচুরি করা হয়েছে তা প্রমাণ হয়েছে সদ্য সাবেক একজন উপদেষ্টার বক্তব্য থেকে।
আজ বৃহস্পতিবার বারিধারায় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর আয়োজিত ‘নাগরিক সেবা অ্যাপ’ উদ্বোধনকালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মাহনগরী উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মূসা, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দিন মোল্লা ও মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত, ভাটারা থানা আমির অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম, বসুন্ধরা থানা আমীর মো. আবুল বাসার প্রমুখ।
মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, জনগণের ভালোবাসাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছি। তিনি স্বপ্নের নগরী গড়তে জামায়াতের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, আগামী দিনে এমন ব্যক্তির হাতেই মেয়রের দায়িত্ব পালন করতে হবে যিনি রাত জেগে জেগে পুরো নগরীকে পাহাড়া দেবেন; যিনি হবেন জাতির জাগ্রত বিবেক এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তার অতন্ত্র প্রহরী।
মহানগর আমির বলেন, অপরিকল্পিত নগরব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি, লুটপাট ও নগর প্রশাসনকে দলীয়করণ করার কারণেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়নি। দায়িত্বপ্রাপ্তদের এমন উদাসীনতার কারণে নগরজীবনে জনদুর্ভোগ, ভোগান্তি ও অস্বস্তি এখন চরমে উঠেছে।
সেলিম উদ্দিন বলেন, ডিএনসিসিতে ক্রমবর্ধমান মশার উপদ্রব, জলাবদ্ধতা, ময়লা আবর্জনা, যানজট, পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য ও রাস্তার খানাখন্দক সমস্যা একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে এসে ঠেকেছে। তাই জামায়াত একটি গণমুখী ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসাবে নগরবাসীর এসব সমস্যার সাধ্যমত সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় ‘নাগরিক সেবা অ্যাপ’ উদ্বোধন করা হয়েছে। এ অ্যাপের মাধ্যমে নগরবাসী তাদের যেকোন সমস্যার কথা সরাসরি অবহিত করতে পারবেন। সমস্যা সমাধানে সাধ্যমত চেষ্টা করব।
তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘ পরিসরে ডিএনসিসিতে যেভাবে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছি তা এক প্রকার মোবাইল হাসপাতাল বলা যায়। প্রায় অর্ধশত হাসপাতালের সাথে আমাদের স্বাস্থ্যচুক্তি রয়েছে। হাসপাতালগুলো স্বল্পমূল্যে নগরবাসীকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকে। আমাদের রয়েছে ১০ টি সর্বাধুনিক অ্যাম্বুল্যান্স। এসব সার্বক্ষণিক স্বাস্থসেবায় নিয়োজিত রয়েছে। আমরা বেকারত্ব দুরীকরণ ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। এজন্য আমরা ১০ হাজার থেকে এক লাখ পর্যন্ত জাকাতভিত্তিক কর্জে হাসানা কার্যক্রম পরিচালনা করছি, যাতে প্রান্তিক শ্রেণির নগরবাসীর আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হয়।
মহানগরী আমির বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে ভোট বিপ্লব হয়েছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে। নির্বাচনে যে জামায়াতের বিপক্ষে কারচুরি করা হয়েছে তা প্রমাণ হয়েছে সদ্য সাবেক একজন উপদেষ্টার বক্তব্য থেকে। এতে আমরা হদোদ্দম বা হতাশ হয়নি বরং জনগণের ভালোবাসাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছি। তিনি স্বপ্নের নগরী গড়তে জামায়াতের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, আগামী দিনে এমন ব্যক্তির হাতেই মেয়রের দায়িত্ব পালন করতে হবে যিনি রাত জেগে জেগে পুরো নগরীকে পাহাড়া দেবেন; যিনি হবেন জাতির জাগ্রত বিবেক এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তার অতন্ত্র প্রহরী।
দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ধাপে ধাপে এক লাখ জনবল নিয়োগের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
ডিউটি ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করায় চিকিৎসকের লাইসেন্স স্থগিত
মাদারীপুরে সার বিক্রেতাদের লাইসেন্স বহালের দাবি