ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, আঞ্চলিক উত্তেজনা নিরসনে কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে তিনি এই দেশগুলোর নাম উল্লেখ করেননি।
তিনি বলেন, কিছু দেশ মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা শুরু করেছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ, কিন্তু আমাদের জাতির মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে কোনো ছাড় দিতে রাজি নই।
তিনি আরও বলেন, এই মধ্যস্থতা তাদের জন্যই হওয়া উচিত, যারা ইরানি জনগণকে ভুল বুঝেছে এবং এই অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে ভূমিকা রেখেছে।
পেজেশকিয়ানের এই মন্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়ে এলো, যখন ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বেশ কয়েকটি আরব প্রতিবেশী দেশ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ওই হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, কিছু বেসামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এরই প্রেকাপটে এই মধ্যস্থতার প্রস্তাব এসেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আগ্রাসন শুরু করে। তখনও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে আলোচনা চলছিল। এসব আলোচনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা বন্ধ করার বিষয়ও ছিল বলে জানা যায়।
হামলার জবাবে ইরান পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। হামলায় ইসরায়েলের পাশাপাশি বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
