খোকনের বায়না
মো. দিদারুল ইসলাম
বইমেলাতে যাবে খোকন
ধরেছে সে বায়না,
গল্প-ছড়ার বই কিনবে তাই
খোকন সোনা খায় না।
আব্বু-আম্মুর সঙ্গে যাবে
নতুন জামা পরে,
বইমেলাতে ঘুরবে খোকন
সারা বিকেল ধরে।
বাড়ির পোষা টিয়া পাখি
সঙ্গে যাবে উড়ে,
গল্প-ছড়ার বইয়ের ছবি
দেখবে ঘুরে ঘুরে।
খোকাখুকি বই কিনবে
মো. আশতাব হোসেন
প্রাণের টানে যাবে খোকা
বই কিনতে মেলায়,
খুকিও তার সঙ্গে যাবে
জানা যায় ঘোষণায়।
ছড়া গল্পের অনেক বই যে
কিনবে খুকিখোকা,
যারা পড়ে না বইপুস্তক
থেকে যায় যে বোকা।
খুকি বলে তাই শুনেছি
দিদার মুখ থেকে কাল,
বই না পড়লে জ্ঞানী লোকের
হয়ে পড়ে আকাল।
দাদা শুনে দিদার কথা
খুশি হয়ে তখন,
দিদাক বলে তুমি হলে
বুদ্ধিমতী একজন।
বইমেলায় যাও
সুব্রত চৌধুরী
জ্ঞানের মশাল হাতে যদি সামনে যেতে চাও
প্রাণের সখা বইয়ের মেলায় সদলবলে যাও।
অজানাকে জানতে যদি তোমরা সবে চাও
বইয়ের মেলায় বইকে সবাই আপন করে নাও।
বইয়ের মেলায় নতুন বইয়ের আকুল করা ঘ্রাণ
মলাট মাঝে ভাঁজে ভাঁজে পায় যে ভাষা প্রাণ।
বইমেলাতে বইয়ের পাতায় হাতছানি দেয় সুখ
জ্ঞানে গুণে ধন্য হবে উজ্জ্বল হবে মুখ।
বইয়ের মেলায় বেজে ওঠে জ্ঞানের বীণার সুর
তাকের মাঝে ঝিলিক মারে হীরে কোহিনূর।
বইয়ের মেলায় বসে যেন লেখক পাঠক হাট
বইয়ের পাতায় নেয় যে সবাই জীবনবোধের পাঠ।
খোকাখুকুর
বইমেলা
সাঈদুর রহমান লিটন
হাজার মানুষ বইমেলাতে
ঘোরাঘুরি করে,
মাঝে মাঝে নতুন বইয়ের
মলাট খুলে পড়ে।
খোকাখুকু ঘুরতে থাকে
মেলার স্টলে স্টলে,
বইমেলাতে কবিরা যায়
সবাই দলে দলে।
কবির সাথে সেলফি তোলে
মজা করে খুব,
ভূতের পুস্তক দেখলে কভু
পড়াতে দেয় ডুব।
কার্টুনের বই পড়তে থাকে
সকল কিছু ভুলে,
বন্ধুবান্ধব নিয়ে ওরা
অনেক ছবি তুলে।
বইমেলাতে যাই
কনক কুমার প্রামানিক
খুশির জোয়ার বান ডেকেছে
যাবো বইয়ের মেলা,
নতুন বইয়ের সুঘ্রাণেতে
কেটে যাবে বেলা।
বছর শেষে আসে আবার
প্রাণেরই বইমেলা,
নানান রকম বইয়ের সাথে
জমবে হাসি খেলা।
প্রাণে প্রাণে মিলেই হবে
খুশির মিলনমেলা,
বইমেলার সে খুনসুটিতে
কাটবে সারাবেলা।