বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ধারাবাহিকভাবেই কমতির দিকে সোনার দাম। ইকোনমিক টাইমসের এক সংবাদে বলা হয়, ডলারের দাম বেড়ে যাওয়া এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কমতির দিকে। স্পট মার্কেট বিশ্লেষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য বলছে, গত এক মাসে আউন্সপ্রতি ৭৫০ ডলারের বেশি কমেছে সোনার দাম।
বিশ্ববাজারে সোনার দাম ধারাবাহিকভাবে কমলেও দেশের বাজারে তা নিয়মিত সমন্বয় না করার অভিযোগ উঠেছে। গত পাঁচ দিন ধরেই দাম সমন্বয় করেনি বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। অথচ এ সময়ে প্রতিদিনই দাম কমেছে। স্পট মার্কেট বিশ্লেষণকারী সংস্থা কিটকোর তথ্য বলছে, নিউ ইয়র্কের বাজারে (মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ১৬ মিনিট) প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ৪ হাজার ৩৮৭ ডলারের আশপাশে। গত ৩০ দিনের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে আউন্সপ্রতি ৭৭২ দশমিক ৫০ ডলার বা ১৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ কম।
এদিকে সবশেষ গত বৃহস্পতিবার দুই দফায় সোনার দাম ভরিতে ১৫ হাজার ৩৩৮ টাকা কমানোর ঘোষণা দেয় বাজুস। যেদিন বিশ্ববাজারে আউন্সপ্রতি সোনার দাম ছিল ৪ হাজার ৭৩২ ডলার। এরপর দাম কমে ৪ হাজার ২০০ ডলারের নিচে নেমেছিল। গতকাল সেটা ৪ হাজার ৪০০ ডলারের আশপাশে বিক্রি হচ্ছিল উল্লিখিত সময়ে। অর্থাৎ, এ হিসাবেও ৩০০ ডলারের বেশি দামের পার্থ্যক্য থাকলেও বাজুস দাম সমন্বয় করেনি। বাজুসের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি ভরি ভালোমানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ এবং ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, যা গত ১৯ মার্চ নির্ধারণ করা হয়। সেদিন ঈদের ছুটির মধ্যে দাম নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তী পাঁচ দিনে পুনরায় দাম সমন্বয় করা হয়নি।
