গ্রীষ্মকালীন সবজিতে স্বস্তি, লেবু-কাঁচা মরিচের দাম নেমেছে অর্ধেকে

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৩০ পিএম

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। রমজানে বেড়ে যাওয়া শসা, লেবু ও কাঁচা মরিচের দামও কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। একইসঙ্গে কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম।

আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বরবটি কেজিতে ৪০ টাকা কমে ৮০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে ৫০ থেকে ৮০ টাকা, কচুরলতি কেজিতে ২০ টাকা কমে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৮০ টাকা, কেজিতে ৪০ টাকা কমে ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কেজিতে ২০ টাকা কমে পটল ৬০ টাকা, কচুরমুখি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, সজনে ডাটা ৮০ থেকে ১শ টাকা এবং ধুন্দল ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা কেজিতে ৪০ টাকা কমে ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ৩০ কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এক হালি লেবু ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে দেশি ধনেপাতা ১৮০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ১শ থেকে ১২০ কেজি, পুদিনা পাতা ২শ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস এবং ক্যাপসিকাম ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি কক মুরগি ৪০০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ৩৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ৩২০ টাকা ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে শীতকালীন সিম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, টমেটো প্রকারভেদে ৩০ থেকে ৫০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মূলা ৫০ টাকা, ফুল কপি বড় সাইজের প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাঁধা কপি ৩০ টাকা এবং লাউ ৪০ থেকে ৬০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে আলুর দাম বাড়লেও পেঁয়াজ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা এবং পেঁয়াজ কলি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে ইলিশ মাছের দাম কিছুটা বেড়েছে।

দয়াগঞ্জ বাজারে বাজার করতে আসা রোমানা আক্তার নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে সবজির দাম কম থাকলে মানুষ বিভিন্ন ধরনের সবজি কিনতে পারে। এখন দাম কিছুটা কমেছে, এতে ভালো লাগছে। তবে দাম আরও কম হলে সাধারণ মানুষের জন্য ভালো হতো।

গোপীবাগে সবজি বিক্রেতা পারভেজ হাসান বলেন, পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ এখন স্বাভাবিক। পাইকারি বাজারে দাম কম থাকায় খুচরা বাজারেও দাম কিছুটা কমেছে। তবে সরবরাহ কমে গেলে আবারও দাম বাড়তে পারে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত