নাটোরের বড়াইগ্রামের এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার পরে ওই ছাত্রীর আত্মহত্যা চেষ্টার ঘটনায় জড়িত মূল আসামি হৃদয় হোসেনকে (১৮) নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় র্যাব-১১ এর অপস অফিসার ক্যাপ্টেন মো. রওনক এরফান খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে বন্দরের নবীগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হৃদয় নাটোরের বড়াইগ্রামের পারবোনী এলাকার মো. কোরমানের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ৭ এপ্রিল বিকেলে নাটোরের বড়াইগ্রামের এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করে। আহত অবস্থায় তাকে একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে গত ৯ এপ্রিল স্কুল ছাত্রীর বাবা বড়াইগ্রাম থানায় একটি মামলা করেন।
মামলা সুত্রে জানা যায়, বাবার সাথে জোনাইল বাজারে গিয়েছিল ওই স্কুল ছাত্রী। একা বাড়িতে ফেরার সময় জোনাইল মহিলা কলেজ এলাকায় পৌঁছালে কোরবান আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন তাকে কাধে তুলে নিয়ে পাশে ঘাসের জমিতে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই ছাত্রী চিৎকার দিলে একজন এগিয়ে আসলে তাকে ছেড়ে দেয় হৃদয়।
স্কুল ছাত্রী দৌঁড়ে বাড়িতে যাওয়ার পথে আবারও পথরোধ করে ধর্ষণের চেষ্টা করে হৃদয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে কাউকে না জানানোর হুমকি দিয়ে হৃদয় চলে যায়।
এই ঘটনায় লজ্জায় স্কুল ছাত্রী বাড়িতে গিয়ে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে মামলা রুজু হওয়ার পর র্যাব-১১ এর একটি টিম মামলার এজাহারনামীয় একমাত্র আসামিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয় ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
