যে কারণে কলকাতা হাইকোর্টে তৃণমূলের মামলা

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩০ এএম

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে রাজ্যের সাত হাজার বুথকে ‘অতি স্পর্শকাতর’ হিসেবে চিহ্নিত করে নিরাপত্তা জোরদার করার ব্যবস্থা নিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল কংগ্রেসের ৮০০ কর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারে-এমন আশঙ্কা থেকে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলটি। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে আগামী বুধবার শুনানির দিন ধার্য করেছেন। 

তৃণমূলের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে পুলিশ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার ৮০০ তৃণমূল কর্মীর একটি তালিকা প্রস্তুত করেছে। পুলিশের দাবি, ওই কর্মীরা এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করে নির্বাচনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারেন। এই খবর পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করে হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়েছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থ সারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনটি করেন তৃণমূলের সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।  আবেদনে তিনি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশনের নির্দেশে রাজ্য পুলিশ তৃণমূলের ৮০০ জনের একটি তালিকা করেছে। তাঁদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে। তাই তৃণমূল কংগ্রেস চাইছে অবিলম্বে আদালত এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক। হাইকোর্ট এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলকে মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন।

নির্বাচনের আগে তৃণমূলের অনেককে গ্রেপ্তার করার চেস্টা হবে-এই আশঙ্কার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগেও বিভিন্ন জনসভায় উল্লেখ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, কমিশনের উপর মহল থেকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অভিযোগ করে আসছিলেন যে নির্বাচনের আগে অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা হবে এবং কমিশনের উচ্চমহল থেকে এ ধরনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত