শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তনে ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে শ্রমিক দল।
শুক্রবার (১ মে) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সমাবেশে এসব প্রস্তাব দেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
সমাবেশে শিমুল বিশ্বাস বলেন, শিকাগোর আন্দোলন থেকে জুলাই অভ্যুত্থান-সবখানেই শ্রমিকদের লড়াইয়ের ইতিহাস রয়েছে। তিনি দাবি করেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন হলে শ্রমিকের ভাগ্য আমূল বদলে যাবে।
শ্রমিক দলের ১০ দফা প্রস্তাবের মধ্যে প্রধান দাবিগুলো হলো-বন্ধ থাকা সব পাটকল, চিনিকল ও বস্ত্রকল পুনরায় চালু করা; সরকারি প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং বন্ধ করে স্থায়ী পদ সৃষ্টি এবং অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার নিশ্চিত করা। এছাড়া সব শ্রমিককে শ্রম আইনের আওতায় আনা এবং নারী শ্রমিকদের জন্য ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি ও ডে-কেয়ার সেন্টার চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়।
অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে-বৈষম্যহীন জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা, শ্রমিকদের জন্য ডাটাবেস ও রেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং ২০১৮ সালের বিতর্কিত সড়ক পরিবহন আইন সংশোধন করা। এছাড়া প্রবাসী শ্রমিকদের মর্যাদা রক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রে মৃত্যু হলে রাষ্ট্রীয়ভাবে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও ড. আব্দুল মঈন খান। এছাড়া বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম বক্তব্য রাখেন।
