আসন্ন জাতীয় বাজেটের আগেই ‘জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫’-এর চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশ ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি।
সংগঠনটির নেতারা বলছেন, ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল ঘোষণার পর থেকে জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে গেলেও এখনো নবম পে-স্কেল কার্যকর হয়নি। দ্রব্যমূল্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও বিদ্যুৎ খরচ বৃদ্ধির ফলে বিশেষ করে নিম্ন আয়ের সরকারি কর্মচারীরা মারাত্মক আর্থিক চাপে পড়েছেন। অনেকেই সংসার চালাতে ব্যাংক ঋণ ও প্রভিডেন্ট ফান্ডের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।
তাদের অভিযোগ, নবম পে-স্কেল নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা নেই। এতে চাকরিজীবীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। একই সঙ্গে বেতন কাঠামো নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা কর্মচারীদের মনোবলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
সমিতির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বাজেট প্রণয়নের আগেই সচিব পর্যায়ের সুপারিশ কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলে নতুন অর্থবছরে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা সহজ হবে। এতে সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক স্বস্তি ফিরবে এবং প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মদক্ষতাও বাড়বে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের উন্নয়ন, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও বর্তমান ব্যয় পরিস্থিতির তুলনায় সরকারি কর্মচারীদের বিদ্যমান বেতন কাঠামো আর বাস্তবসম্মত নয়। তাই দ্রুত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির এমন দাবির বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি অর্থ মন্ত্রণালয়ের কেউই। এমনকি পে-স্কেলের বিষয়েও কথা বলতে চান না কেউ।
এপ্রিল মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫১০, আহত ১২৬৮