জুলাই অভ্যুত্থানের স্মরণে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় রূপ নেয়া বেরোবি ক্যাম্পাস ও আশেপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হলেও বিকেল থেকেই ক্যাম্পাস ও আশেপাশের এলাকা দখলে নেয় রংপুর জেলা ও মহানগর ছাত্রদল,যুবদল ও বেরোবি ছাত্রদল।
আজ মঙ্গলবার(৪ আগস্ট, ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয় ও রংপুরের তাজহাট থানা ঘোষিত ১৪৪ ধারা আদেশকে উপেক্ষা করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জড়ো হয়ে অবস্থান করে বেরোবি ছাত্রদল এবং ক্যাম্পাসের বাইরে, শহীদ আবু সাঈদ চত্ত্বর, বিশ্ববিদ্যালয় গেট, সালামের মোড়সহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি এলাকায় লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র হাতে অবস্থান করে জেলা ও মহানগর ছাত্রদল-যুবদল।
গতকালের ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বেরোবি শাখা ও শাখা ছাত্রশিবির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। একই সময়ে এবং একই স্থানে কর্মসূচি দেয়ায় সম্ভাব্য সহিংসতা এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাজহাট থানার কাছে সাহায্য চেয়ে আবেদন করে এবং পরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
তবে দুপুর গড়িয়ে বিকেলে ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও আশেপাশের এলাকা দখল নেয় ছাত্রদল ও যুবদল।
এদিকে কারমাইকেল কলেজ এরিয়ার লালবাগ মোড় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে মিছিল নিয়ে আসার কথা ছিল শিবিরের। তবে নির্দিষ্ট সময়েও তারা সেখানে উপস্থিত হয়নি বরং লালবাগ এলাকায় জড়ো হয়েছে বলে জানা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝে বর্তমানে থমথমে অবস্থা বিরাজমান। ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে এবং তা উপেক্ষা করে দেশীয় অস্ত্রসহ অবস্থান নেয় ছাত্রদল। এ নিয়ে সত্যিই অনেকটা উদ্বীগ্ন এবং অনেকটা ভীতসন্ত্রস্ত।
এ নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জানান, গতকালকের ঘটনায় আমরা একটি ব্যানারকে সরানোর অনুরোধ করলে তারা আমাদের উপর হামলা করে এবং সংঘর্ষ বাধায়। তারই প্রতিবাদে আমরা আজ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছি।’’
১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্রদল যুবদলের অবস্থান থাকলেও পুলিশের কিংবা প্রশাসনের কোনো বাধা কিংবা কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়নি। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন কিংবা পুলিশ কোনো মন্তব্যও করেনি।
যোগাযোগের জন্য প্রক্টর অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমানকে কল করলেও তিনি সাড়া দেননি।
মেয়ে থেকে ছেলেতে পরিণত, বাড়িতে উৎসুক মানুষের ভিড় 