বাংলাদেশে টিকাদানের ঘাটতি বাড়লে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছে ওয়ান হেলথ ট্রাস্ট ও আইসিডিডিআর,বি নেতৃত্বাধীন গ্লোবাল অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স পার্টনারশিপ (গার্প)।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক পলিসি ব্রিফে বলা হয়, টিকা শুধু সংক্রামক রোগ প্রতিরোধেই নয়, অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমানো এবং ওষুধ-প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার ঠেকাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বৃহস্পতিবার(২১ মে) আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর.বি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব বিষয়ে জানানো হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাব দেশের টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি ও টিকার প্রতি আস্থা কমে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ হওয়া প্রতিটি সংক্রমণ অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ও এএমআরের ঝুঁকি কমায়।
গার্প-বাংলাদেশের সভাপতি ডাক্তার ওয়াসিফ আলী খান বলেন, টিকাদান জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার সবচেয়ে কার্যকর ও সাশ্রয়ী উপায়গুলোর একটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালে বাংলাদেশে এএমআরের সঙ্গে সম্পর্কিত মৃত্যু ছিল প্রায় ৯৭ হাজার, যার মধ্যে ২৩ হাজারের বেশি মৃত্যু সরাসরি এএমআরের কারণে ঘটে।
পলিসি ব্রিফে শিশুদের সার্বজনীন টিকাদান জোরদার, টাইফয়েড কনজুগেট টিকা নিয়মিত কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্তি, রোটাভাইরাস টিকা দ্রুত চালু এবং নিউমোকক্কাল টিকার কার্যকারিতা নিয়মিত মূল্যায়নের সুপারিশ করা হয়েছে।