পদত্যাগ নয়, দীপেন দেওয়ানের মন্ত্রিত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে!

আপডেট : ০২ জুন ২০২৬, ১১:২৩ এএম

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেননি বরং ‘ইচ্ছার বিরুদ্ধে’ তাঁর মন্ত্রিত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। 

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।

সর্বমিত্র চাকমা লেখেন, অসুস্থতার কারণ উল্লেখ করলেও দীপেন দেওয়ান স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেননি। স্রেফ জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে সুপারিশের দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে মাত্র তিন মাসের মাথায় মন্ত্রিত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দ্বন্দ্বে এভাবে মন্ত্রিত্ব কেড়ে নেওয়ার নজির খুব একটা নেই। পার্বত্যবাসীর মনে এ দাগ থাকবে!

সর্বমিত্র চাকমা উল্লেখ করেন, পার্বত্যবাসী বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছিল এবং ফলস্বরূপ তিনটি আসনেই বিএনপি জয় লাভ করে। তিনি দীপেন দেওয়ানকে ‘অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি’ ও রাঙামাটি আসনের এমপি হিসেবে ‘পাহাড়ি-বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের শ্রদ্ধার পাত্র’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পদত্যাগপত্র জমা দেন দীপেন দেওয়ান। সরকার গঠনের সাড়ে তিন মাসের মাথায় তাঁর পদত্যাগ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। এদিকে তার পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার এবং পুনর্বহালের দাবিতে সোমবার রাঙামাটিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভা করেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের একাংশ।

উল্লেখ্য, ৬৩ বছর বয়সি দীপেন দেওয়ান ছাত্রাবস্থায় ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরিবারের চাপে সপ্তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে জুডিসিয়াল সার্ভিসে যোগ দেন। ২০০৬ সালে চারদলীয় জোট সরকারের শেষ সময়ে তৎকালীন উপমন্ত্রী মনিস্বপন দেওয়ান দলত্যাগ করলে দলে যোগ্য নেতার সংকট তৈরি হয়। তখন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রায় ২০ বছরের জুডিসিয়াল সার্ভিসের চাকরি (যুগ্ম জেলা জজ) ছেড়ে রাজনীতিতে ফেরেন তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত