কনটেন্ট ক্রিয়েটর-ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সুখবর

আপডেট : ০৭ জুন ২০২৬, ০১:৩২ পিএম

বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে উপার্জিত আয়ের ওপর প্রস্তাবিত ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ কর প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের ফলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে অর্জিত আয় এখন থেকে রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে এবং এর ওপর কোনো উৎসে কর কাটা হবে না।

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে এই সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব থাকতে পারে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির সর্বশেষ নির্বাচনি ইশতেহারে সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) পাঁচটি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২ লাখ এবং ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন খাতে আরও ৮ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ঘোষণা ছিল। একই সঙ্গে আইসিটি খাতের প্রসারে শক্তিশালী নীতিমালা প্রণয়ন, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তাকেন্দ্র স্থাপন, ই-ওয়ালেট চালু, ১০ বছরের জন্য বিশেষ কর সুবিধা, উদ্যোক্তাদের জন্য ভর্তুকিযুক্ত ঋণ এবং স্টার্টআপ তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠনে শিল্প খাত, সৃজনশীল অর্থনীতি ও আইসিটি খাতকে ইশতেহারে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ডিজিটাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যারা তথ্যবহুল, শিক্ষণীয় কিংবা বিনোদনমূলক ছবি, অডিও ও ভিডিও তৈরি করেন, সাধারণত তারাই কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিত। তারা মূলত ইউটিউব অ্যাডসেন্স, ফেসবুক মনিটাইজেশন, ব্র্যান্ড প্রমোশন বা স্পনসরশিপের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা ও অর্থ আয় করেন। এত দিন এই আয়ের টাকা ব্যাংকে আসার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ কর কেটে রাখা হতো।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত