বাংলাদেশ পুলিশকে আধুনিক, যুগোপযোগী ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং সেবা ও সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। এছাড়াও আধুনিক উপায়ে যে কোনো ঘটনার তদন্তে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ, প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিষয়ে ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ ও বিশেষায়িত ইউনিটগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পুলিশকে সময়োপযোগী করে তোলার কাজ চলছে।
এবিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, পুলিশ বাহিনীকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সংযোজন, বিশেষ তদন্ত পদ্ধতির প্রসার এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগত পরিবর্তনে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মানুষ ঘরে বসে যাতে অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি (জিডি), পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও মামলা সংক্রান্ত সেবা পায় সেজন্য ইন্সিডেন্টস ট্র্যাকিং সফটওয়্যার, পুলিশ কমান্ড অ্যাপ ও চার ডিজিটের হটলাইন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নতির জন্য টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েচে জানিয়ে শাহাদাত হোসাইন বলেন, পুলিশ অপরাধীদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান চালানোসহ প্রযুক্তি নির্ভর নজরদারির মাধ্যমে অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে যথেষ্ট ভালো জানিয়ে তিনি বলেন, তবে আইনশৃঙ্খলা আরও উন্নত করা প্রয়োজন। পুলিশ বাহিনী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এখন অনেক কাজ করছে। এছাড়াও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অপরাধীদের প্রতিরোধ ও অপরাধ সংক্রান্ত তদন্ত করার ক্ষেত্রে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির মহাসচিব অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিয়া লুৎফর রহমান চৌধুরী বলেন, পুলিশকে আধুনিক, যুগোপযোগী ও আরও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। পাশাপাশি জনগণের সেবা নিশ্চিতে এবং তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করার জন্য পুলিশের যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।
তিনি বলেন, দায়িত্বশীল আচরণের জন্য পুলিশের মানসিক প্রশান্তি প্রয়োজন। সেজন্য তাদের নিরাপত্তা ও আবাসন ব্যবস্থা নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করতে হবে।
সূত্র: বাসস