২০১০ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের ক্ষত কাটিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে হাইতি জাতীয় ফুটবল দল। সেবাস্টিয়ান মিগনের শিষ্যদের এই দলে অন্যতম ভরসার নাম ২৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকার লুইসিয়াস ডিডসন। এই বিশ্বকাপের মঞ্চে আসার পেছনে তার জীবনের গল্পে জড়িয়ে আছে ইতিহাসের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির নাম।
২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি মাত্র ৯ বছর বয়সে এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হন ডিডসন। ৭.০ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র হাইতি। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণ হারান ২ লাখেরও বেশি মানুষ এবং গৃহহীন হয়ে পড়েন লাখ লাখ অধিবাসী।
এই ঘটনার ঠিক ছয় মাস পর, হাইতির দুর্গতদের আশ্রয়শিবির এবং ইউনিসেফের মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শনে যান তৎকালীন বার্সেলোনা তারকা ও ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত লিওনেল মেসি। সেখানে মেসির সাথে দেখা করার সুযোগ পেয়েছিল ৯ বছরের ছোট্ট ছেলে ডিডসন। ১৬ বছর পর, সেই ছোট্ট ছেলেটিই আজ বিশ্বকাপে নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। আজ ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলতে নামবেন তারা।
১৯৭৪ সালের পর দীর্ঘ ৫২ বছর পর এটি হাইতির মাত্র দ্বিতীয় বিশ্বকাপ আসর। ব্রাজিল, মরক্কো এবং স্কটল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলগুলোর সাথে 'গ্রুপ সি'-তে পড়েছে তারা। নকআউট বা শেষ ১৬-র টিকিট পেতে হলে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচে ইতিবাচক ফলের কোনো বিকল্প নেই হাইতিয়ানদের সামনে।
বর্তমানে ২৫ বছর বয়সী এই উইঙ্গার ও স্ট্রাইকার যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের দল এফসি ডালাসে খেলছেন। লিওনেল মেসিও বর্তমানে একই লিগের দল ইন্টার মায়ামিতে খেলছেন।
গতি এবং আক্রমণভাগে দারুণ উপস্থিতির কারণে ডিডসনকে হাইতির প্রধান আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যদিও তিনি এফসি ডালাসের নিয়মিত একাদশে সবসময় সুযোগ পান না, তবে জাতীয় দলে তিনি অন্যতম বড় ভরসা।
মেসির বাবার মৃত্যুর মিথ্যা খবর দিয়ে চাকরি গেলো আর্জেন্টিনা সাংবাদিকের