সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, মাদক থেকে বাঁচতে নিজেদের ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ত করতে হবে। সব ধরনের সমস্যা নিরসন করে ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে হবে।
শনিবার (২৭ জুন) বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের একটি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সেনাপ্রধান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, দেশের মান-মর্যাদা সমুন্নত রাখতে অলিম্পিক অঙ্গনে ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণ নতুন মাত্রা যোগ করবে। বর্তমান সরকার ক্রীড়া ক্ষেত্রে অনেক বেশি সহযোগী।
তিনি বলেন, ক্রীড়াবিদদের যদি সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে বিশ্বের বুকে তারা বুক উঁচিয়ে দেশের মর্যাদা আরো বৃদ্ধি করতে পারবে।
এ সময় আগামী ২০৩০ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক ভিলেজ আয়োজনে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
ঢাকার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি দেশের অন্য সাতটি বিভাগীয় শহরেও অলিম্পিক ডে উপলক্ষে র্যালি ও বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ঢাকায় আয়োজিত কেন্দ্রীয় র্যালিটি সকাল ৭টায় বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম থেকে শুরু হয়ে এয়ারপোর্ট রোড হয়ে স্টাফ রোড লেভেল ক্রসিং প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে এসে সমাপ্ত হয়।
র্যালি শেষে চিত্তাকর্ষক ক্রীড়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেনাপ্রধান অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন।
র্যালিতে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ, প্রশিক্ষক, সংগঠক, অলিম্পিয়ান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তারা, সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, ক্রীড়াপ্রেমী এবং গণমাধ্যমকর্মীসহ দেড় হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেয়।