যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল ফর বিজনেস স্কুলস অ্যান্ড প্রোগ্রামসের (এসিবিএসপি) মেম্বার রিলেশনস কমিটির ২০২৬-২৭ মেয়াদের চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. মামুন হাবিব।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ১০ থেকে ১৩ জুন অনুষ্ঠিত এসিবিএসপির ২০২৬ সালের বার্ষিক সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন অধ্যাপক মামুন হাবিব। বিদায়ী চেয়ার ও যুক্তরাষ্ট্রের ডোনা আনা কমিউনিটি কলেজের ডিন অব অ্যাডভান্সড টেকনোলজিস ড. লরা ডে লা ক্রুজ তাঁর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি মেম্বার রিলেশনস কমিটির চেয়ার-ইলেক্ট নির্বাচিত হন।
বিশ্বের প্রায় দুই হাজার বিজনেস স্কুল এসিবিএসপির সদস্য। এর মধ্যে আইইউবিসহ প্রায় এক হাজার প্রতিষ্ঠান পূর্ণাঙ্গ অ্যাক্রেডিটেশন পেয়েছে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। এসিবিএসপির বার্ষিক সম্মেলন ও বিভিন্ন কমিটিতে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মনোনীত প্রতিনিধি, যাঁরা সাধারণত ডিন বা বিভাগীয় প্রধান পর্যায়ের শিক্ষাবিদ।
অধ্যাপক মামুন হাবিব বলেন, এসিবিএসপি মেম্বার রিলেশনস কমিটির চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন বিশ্বের বিভিন্ন বিজনেস স্কুলের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি করবে। একজন শিক্ষাবিদের জন্য এটি উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ ও ব্যবসায় শিক্ষার আন্তর্জাতিক চর্চার সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ। একই সঙ্গে এটি বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা, অ্যাক্রেডিটেশন মানদণ্ড অনুসরণ এবং উচ্চশিক্ষার ধারাবাহিক উন্নয়নে আইইউবির অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
দেশে ও বিদেশে শিক্ষকতা ও গবেষণায় অধ্যাপক মামুন হাবিবের রয়েছে ২৩ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা। তাঁর ২৫০টির বেশি গবেষণা প্রকাশনা রয়েছে, যার মধ্যে জার্নাল নিবন্ধ, বইয়ের অধ্যায় ও বই অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে ৮০টির বেশি প্রকাশনা স্কোপাস ও ওয়েব অব সায়েন্সে সূচিভুক্ত। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১০০টির বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন এবং ২৫০টির বেশি ওয়েবিনার ও কর্মশালা পরিচালনা করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন টু অ্যাডভান্স কলেজিয়েট স্কুলস অব বিজনেসের (এএবিএসবি) ভার্চুয়াল অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
আইইউবির স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ২০১৭ সালে এসিবিএসপি থেকে ১০ বছরের অ্যাক্রেডিটেশন লাভ করে, যার পুনর্মূল্যায়ন ২০২৭ সালে হওয়ার কথা রয়েছে।