নিজ গ্রামের দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানান এনসিপির সংসদ সদস্য মাহমুদা মিতু। তিনি বলেন, বিষয়টি জানানো হলে শিক্ষামন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীকে দ্রুত নতুন ভবনের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।
রবিবার (৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান মাহমুদা মিতু।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, কোনো কাগজপত্র ছাড়াই তিনি শিক্ষামন্ত্রীকে স্কুল দুটির বাস্তব অবস্থা তুলে ধরেন। এরপর শিক্ষামন্ত্রী সঙ্গে সঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলীকে ফোন করে দ্রুত নতুন ভবনের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।
মাহমুদা মিতু জানান, স্কুল দুটি তাঁর দাদার বাবার প্রতিষ্ঠিত এবং জমিও তাঁর দেওয়া। তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি ভবন থাকলেও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২৩ বছর আগে তিনি ওই স্কুল থেকেই বৃত্তি পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও সেখানে একটি টিউবওয়েল বা ব্যবহারযোগ্য বাথরুম নির্মাণ করা হয়নি।
স্কুল দুটির বাস্তব চিত্র তুলে ধরে তিনি লেখেন, ছবিতে যে সাইনবোর্ডটি দেখছেন, সেটিও বাইরে লাগানো ছিল না। ভেঙে পরে গেছে তাই ভেতরে তুলে রাখা হয়েছিল। আমি গিয়ে বের করেছিলাম। ফ্যান নাই, চোরেরা বারবার ফ্যান খুলে নিয়ে যায়। এজন্য শিক্ষকরা নিজেদের বাসা থেকে ফ্যান এনে ক্লাস নেন, আবার ছুটি শেষে সেটি বাসায় নিয়ে যান। এটাই ছিল তথাকথিত উন্নয়নের বাস্তব চিত্র।
আজও এই দেশের হাজারো শিশু একটি নিরাপদ, মানসম্মত স্কুল ভবন ও ন্যূনতম শিক্ষা-পরিবেশ থেকে বঞ্চিত। উন্নয়ন তখনই অর্থবহ, যখন তার সুফল সবচেয়ে প্রান্তিক শিশুটির কাছেও পৌঁছে।
গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করার জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমার হাতে যদি সর্বোচ্চ ক্ষমতা তাহলে আমি জনগণের হক থেকে এক পয়সাও দুর্নীতি হতে দিতাম না। কিন্তু আমরা সবাই দুর্নীতির গোলকধাঁধায় আটকে আছি। আমি ভাবতেও পারি না মানুষ কিভাবে আর একজনের হকের দুই পয়সা নিজের পকেটে নেয়।