চাকরি হবে মাসে ৩ থেকে ৪ হাজার ডলার বেতনের। কোম্পানি দেবে বিমানভাড়া, ভিসা, থাকা-খাওয়া। কাজও খুব সহজ কাস্টমার সার্ভিস, ডাটা অ্যান্ট্রি বা ডিজিটাল মার্কেটিং। সামাজিক মাধ্যমে এমন বিজ্ঞাপন দেখে আবেদন করছেন হাজারো তরুণ। কেউ পরিবারের সঞ্চয় ভেঙে, কেউ ঋণ নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর পরই বদলে যাচ্ছে সব হিসাব। কেড়ে নেওয়া হচ্ছে পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন সেট, আটকে রাখা হচ্ছে উঁচু দেয়ালঘেরা স্ক্যাম কম্পাউন্ডে। এরপর শুরু হচ্ছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। বাধ্য করা হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের সঙ্গে অনলাইনে প্রতারণা করতে। টার্গেট পূরণ করতে না পারলে মারধর, বৈদ্যুতিক শক, খাবার বন্ধ কিংবা পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি সবই চলছে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণে। মানব পাচারের এই নতুন রূপকে জাতিসংঘ বলছে ‘ফোর্সড অনলাইন স্ক্যামিং’ যা মূলত ডিজিটাল দাসত্বের আধুনিক সংস্করণ। মানব পাচারের এই নতুন ডিজিটাল রূপ মোকাবিলায় জাতীয় উদ্যোগের পাশাপাশি বৈশ্বিক সহযোগিতাই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন বলে মনে করে জাতিসংঘ।
মানব পাচারের উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। প্রতি বছর বহুসংখ্যক মানুষ ভালো চাকরি ও উচ্চ বেতনের আশায় বিদেশে গিয়ে মূলত মানব পাচারের শিকার হন। যেমন সিরাজগঞ্জের ২৬ বছর বয়সী তোফায়েল আহমেদকে কম্পিউটার অপারেটরের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৭ লাখ টাকা নিয়ে কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তার পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে একটি স্ক্যাম কম্পাউন্ডে বিক্রি করা হয়। তাকে নারীর পরিচয়ে বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে অনলাইনে সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে প্রতারণা করতে বাধ্য করা হয়।
শরীয়তপুরের মান্নান সোহেল কম্বোডিয়ার একটি স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে দেশে ফিরলেও তার দুর্ভোগ শেষ হয়নি। পাচারকারীরা তাকে চুপ করাতে উল্টো তার, তার বাবা ও ছোট ভাইয়ের নামে মিথ্যা মানব পাচারের মামলা করে। তার বাবা মামলায় ২৬ দিন কারাগারেও ছিলেন।
ফরিদপুরের আল আমিনকে ডাটা অ্যান্ট্রি অপারেটরের চাকরির কথা বলে কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তাকে ট্যুরিস্ট ভিসায় পাঠানো হয়েছে। এরপর কয়েক দিনের মধ্যেই তাকে ১ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলারে একটি স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করা হয়। তার দায়িত্ব ছিল ভুয়া নারী পরিচয়ে সামাজিক মাধ্যম থেকে বিদেশি নাগরিকদের ফোন নম্বর সংগ্রহ করা। পরে সেই তথ্য অন্য একটি দল ব্যবহার করে ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ আত্মসাৎ করত।
শুধু এ তিনজনই নন, তাদের মতো অসংখ্য বাংলাদেশি উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভনে কম্বোডিয়া, মিয়ানমার, লাওস, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের শিকার হয়েছেন। সম্প্রতি কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে ৩৭ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাদের সবাই একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ভালো চাকরির প্রতিশ্রুতি, পাসপোর্ট জব্দ, বন্দিদশা এবং অনলাইন প্রতারণায় বাধ্য করা।
আজ বিশ্ব মানব পাচারবিরোধী দিবস। মানব পাচার সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে সারা বিশ্বে ৩০ জুলাই বিশ্ব মানব পাচারবিরোধী দিবস পালন করা হয়। দিবসের এবারের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, মানব পাচার এখন আর শুধু যৌন শোষণ, জোরপূর্বক শ্রম বা অঙ্গ পাচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক সাইবার প্রতারণার জন্য মানব পাচার করছে। বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্ক্যাম কম্পাউন্ডগুলোয় হাজার হাজার মানুষকে বন্দি রেখে অনলাইন প্রতারণা করতে বাধ্য করা হচ্ছে।
বিশ্ব মানব পাচারবিরোধী দিবস উপলক্ষে দেওয়া বার্তায় জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, মানব পাচার এখন শুধু সীমান্ত অতিক্রম করে মানুষ পাচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন ধরনের শোষণের ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভনে বিদেশে নিয়ে গিয়ে মানুষকে অনলাইন প্রতারণা, ভুয়া বিনিয়োগ, ক্রিপ্টোকারেন্সি জালিয়াতি এবং অন্যান্য আর্থিক অপরাধে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অপরাধীরা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অবৈধ মুনাফা অর্জন করছে।
তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার এই অপরাধকে আরও ভয়ংকর করে তুলেছে। তাই এটি মোকাবিলায় একটি দেশের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন বৈশ্বিক সমন্বয়। তিনি ২০২৪ সালে গৃহীত জাতিসংঘের সাইবার অপরাধবিরোধী কনভেনশন দ্রুত অনুমোদনের আহ্বান জানান এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে তাদের প্ল্যাটফর্মে সংঘটিত অপব্যবহার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
ডিজিটাল ফরেনসিক ও তথ্যপ্রযুক্তি আইন বিশেষজ্ঞ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তানভীর হাসান জোহা বলেন, মানব পাচার এখন আর শুধু সীমান্তনির্ভর অপরাধ নয়; এটি প্রযুক্তিনির্ভর, আন্তর্জাতিক এবং সুসংগঠিত অপরাধচক্রের কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে। মাঠপর্যায়ে তদন্ত পরিচালনার অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, অনেক বাংলাদেশি বিদেশে পৌঁছানোর পর জিম্মি হন। তাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে পরিবার থেকে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সময়মতো তথ্য সংগ্রহ, দ্রুত তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা গেলে অনেক ক্ষেত্রেই ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়।
এই বাস্তবতায় মানব পাচার প্রতিরোধে স্থানীয় পুলিশকে আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে। কারণ কোনো কেন্দ্রীয় সংস্থা একা দেশের প্রতিটি এলাকার তথ্য সংগ্রহ বা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে পারে না। থানার পুলিশ, উপপরিদর্শক এবং কনস্টেবলরাই প্রথমে অপরাধের সূত্র, সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং স্থানীয় নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তথ্য পান। তাই তাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, তদন্ত সক্ষমতা এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা আরও শক্তিশালী করা জরুরি।
বর্তমান সময়ে মানব পাচার চক্র সামাজিক মাধ্যম, এনক্রিপ্টেড যোগাযোগব্যবস্থা এবং বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে। ফলে তদন্তেও প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বাড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই। আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা, তথ্য বিশ্লেষণ প্রযুক্তি এবং একটি সমন্বিত জাতীয় মানব পাচার গোয়েন্দা তথ্যভা-ার গড়ে তোলা সময়ের দাবি। এতে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান দ্রুত হবে এবং তদন্তের গতি বাড়বে।
আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে, শুধু উন্নত প্রযুক্তি থাকলেই সফলতা আসে না। কার্যকর নীতিমালা, দ্রুত তথ্য বিনিময়, আন্তঃসংস্থার সমন্বয় এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্তই সবচেয়ে বড় শক্তি। অনেক দেশে বিদেশ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করে। ফলে ভুক্তভোগীকে উদ্ধারের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
বাংলাদেশেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে দক্ষ জনবল তৈরি, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং বাস্তবভিত্তিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি) বলছে, গত এক দশকে মানব পাচারের চরিত্র দ্রুত বদলে গেছে। আগে যেখানে যৌন শোষণ ছিল প্রধান উদ্দেশ্য, এখন জোরপূর্বক শ্রমের পাশাপাশি অনলাইন প্রতারণা, সাইবার অপরাধ এবং আর্থিক জালিয়াতিতে মানুষকে ব্যবহার করা হচ্ছে। মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও লাওসের সীমান্ত এলাকায় গড়ে ওঠা শত শত স্ক্যাম কম্পাউন্ড এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্রের অন্যতম ঘাঁটি।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুধু মিয়ানমার ও কম্বোডিয়াতেই অন্তত ২ লাখ ২০ হাজার মানুষ জোরপূর্বক এসব স্ক্যাম সেন্টারে কাজ করছেন। প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বলছে, অনলাইন স্ক্যাম সেন্টার এখন আধুনিক দাসত্বের সবচেয়ে নতুন ও জটিল রূপ। বর্তমানে বিশ্বে ৪ কোটি ৯৬ লাখ মানুষ আধুনিক দাসত্বের শিকার। এর মধ্যে ২ কোটি ৭৬ লাখ মানুষ জোরপূর্বক শ্রমে এবং ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ জোরপূর্বক বিয়ের শিকার।
সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, অনলাইন প্রতারণা এখন বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক সংঘবদ্ধ অপরাধগুলোর একটি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু ২০২৫ সালেই অনলাইন প্রতারণার কারণে বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতির পরিমাণ ৮৮ থেকে ১১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই বিপুল অর্থের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে মানব পাচারকারী ও আন্তর্জাতিক অপরাধচক্র। পরে এই অর্থ মাদক ব্যবসা, অস্ত্র চোরাচালান, অর্থপাচার এবং নতুন মানব পাচার নেটওয়ার্ক তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, অপরাধের ধরন বদলে দিতে বড় ভূমিকা রাখছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। অপরাধীরা এখন এআই ব্যবহার করে মানুষের কণ্ঠস্বর নকল করছে, ডিপফেক ভিডিও তৈরি করছে, স্বয়ংক্রিয় চ্যাটবট পরিচালনা করছে এবং বাস্তবসম্মত ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করছে। ফলে প্রতারণা শনাক্ত করা যেমন কঠিন হচ্ছে, তেমনি একই সময়ে হাজার হাজার মানুষের কাছে প্রতারণার ফাঁদ ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আগামী কয়েক বছরে এআইভিত্তিক প্রতারণা মানব পাচারকারী চক্রের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠবে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও মানব পাচারের ধরন দ্রুত বদলাচ্ছে। আগে যেখানে ভারত, পাকিস্তান, মধ্যপ্রাচ্য কিংবা সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া ছিল প্রধান গন্তব্য, এখন সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে কম্বোডিয়া, মিয়ানমার ও লাওস। তথ্যপ্রযুক্তি, কল সেন্টার, ডিজিটাল মার্কেটিং কিংবা কাস্টমার সার্ভিসের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তরুণদের নিয়ে গিয়ে আন্তর্জাতিক অনলাইন প্রতারণায় বাধ্য করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি, বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির আকর্ষণ, সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞাপন এবং দালালচক্রের সক্রিয়তা এই চারটি কারণে বাংলাদেশ নতুন ধরনের মানব পাচারের বড় ঝুঁকিতে রয়েছে। ফেসবুক, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, লিংকডইনসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে ট্যুরিস্ট ভিসায় বিদেশে পাঠিয়ে পরে স্ক্যাম কম্পাউন্ডে আটকে রাখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান দিয়ে এই অপরাধ ঠেকানো সম্ভব নয়। প্রয়োজন প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, আন্তর্জাতিক তথ্য বিনিময়, প্রযুক্তি কোম্পানির জবাবদিহি, বিদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দ্রুত কনস্যুলার সহায়তা, দেশে ফিরে আসা ভুক্তভোগীদের পুনর্বাসন এবং নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা।
বিশ্ব মানব পাচারবিরোধী দিবসের মূল বার্তাও তাই স্পষ্ট প্রযুক্তি যেন শোষণের নয়, মানুষের নিরাপত্তা ও মুক্তির হাতিয়ার হয়। মানব পাচারের এই নতুন ডিজিটাল রূপ মোকাবিলায় জাতীয় উদ্যোগের পাশাপাশি বৈশ্বিক সহযোগিতাই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।
