পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ঘিরে বলেছেন, আমাদের কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। কীভাবে দ্রুততার সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে। আমার বিশ্বাস অন্তত পাইলট প্রকল্প হিসেবে হলেও চলতি বছরের শেষের দিকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার আলো দেখতে পাবে। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও চাওয়া পাওয়ার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটবে।
গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প এবং তিস্তার নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এরআগে তিস্তা নদী তীরবর্তী ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের কেল্লাপাড়া ও ছাতুনামা এলাকার তীব্র নদীভাঙন পরিস্থিতি দেখে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ব্যাগ ফেলে স্পার বাঁধ নির্মানের নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
এসময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বুড়ি তিস্তা পূনঃখননে বিগত সরকার ১৩০ কোটি টাকা দিয়ে পাঁচটি গ্রুপে কাজটা শুরু করতে চেয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতায় তা আলোর মুখ দেখেনি। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমরা ভুক্তভোগী মানুষ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসে মামলা প্রত্যাহারসহ বুড়ি তিস্তার এই সমস্যার সমাধান করব।
সাধারণ মানুষের সম্পদ সুরক্ষায় সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিএনপি সরকারের কমিটমেন্ট, নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ করবো, যাতে নদীর তীরবর্তী কোনো মানুষের একটি বাড়ি, একটি ঘর বা এক ইঞ্চি জমিও নদীতে বিলীন হয়ে না যায়।
এসময় নীলফামারী জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলাম যাকারিয়া, পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরীসহ পাউবোর অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
