ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এটি একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। এতে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
গত ১২ জুন বাংলাদেশে দায়িত্ব নিতে আসেন ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী ও ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সিনিয়র নেতা দীনেশ ত্রিবেদী। ভারত সরকার তাকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মর্যাদায় কূটনৈতিক প্রতিনিধি হিসেবে ঢাকায় পাঠায়। ২৫ জুন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি।
পরিচয়পত্র পেশের পরই যমুনা ফিউচার পার্কের ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র (আইভ্যাক) পরিদর্শনকালে বন্ধ থাকা পর্যটন ভিসা পুনরায় চালুর সুখবর দেন এই হাইকমিশনার।
পরে ২৯ জুলাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। সেসময় তিস্তা ও গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি প্রশ্নে দুই দেশের জনগণের কল্যাণকে প্রাধান্য দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে দুই প্রতিবেশী দেশের যেকোনো সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।
সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথোপকথনের জেরে দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে একধরনের কূটনৈতিক অস্বস্তি দেখা দিয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপট পেছনে ফেলে আলোচনা ও সহযোগিতার ধারা ইতিবাচক রাখতে কাজ করছে ঢাকা ও নয়াদিল্লি।
এরই অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের আগের দিন, রবিবার বিকেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় আধা ঘণ্টাব্যাপী এক একান্ত রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন ভারতের হাইকমিশনার।
সম্পর্কের ইতিবাচক রূপরেখা নির্মাণের পর আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো।
তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী
ভারত-বাংলাদেশ এক হলে বিশ্ব শক্তিতে পরিণত হবে: দিনেশ ত্রিবেদী