দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানের মানোন্নয়ন ও সার্বিক শিক্ষাদান কার্যক্রম তদারকিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘আইটি ইকোসিস্টেম’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার।
এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ রূপরেখা বাস্তবায়ন করা হবে। ফলে শিক্ষকরা ঠিকমতো পাঠদান করছেন কি না এবং শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখতে পারছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে উদ্ধৃত করে বাসস এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তি বলতে কেবল অকার্যকর কেনাকাটা নয়, বরং একটি সমন্বিত ডিজিটাল শিখন ও তদারকি ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। এই ইকোসিস্টেমে প্রতিটি শিক্ষকের হাতে একটি করে ট্যাব থাকবে, যা কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে কোনো শ্রেণিকক্ষে সিলেবাস শেষ হতে সমস্যা হচ্ছে কি না, তা সরাসরি মনিটরিং করা যাবে।’
তিনি জানান, শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা প্রকাশ করা হবে এবং আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে তা সারাদেশে কার্যকর হবে।
সরকারের ১৮০ দিনের ইশতেহার বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, পাঁচ বছরের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রথম ছয় মাসে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত ৩৭টি বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি দেখা গেছে।
তিনি জানান, ‘স্কুল মিড-ডে মিল’ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে আকস্মিক পরিদর্শন ও ‘মাদারস কমিটি’ সক্রিয় করার মাধ্যমে মান তদারকি করা হচ্ছে। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে শতভাগ ত্রুটিমুক্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে দেশব্যাপী এ প্রকল্প সম্প্রসারণ করা হবে। এছাড়া বিষয়ভিত্তিক ভীতি দূরীকরণে কারিকুলাম পরিমার্জন ও নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রাথমিক কারিকুলামে যুক্ত হচ্ছে ‘সায়েন্স টয়’ ও ‘ম্যাথ ল্যাব’
প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি লটারিতে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের অন্য শ্রেণিতে পরীক্ষায়