সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী বুধবার দলীয়ভাবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। গতকাল রবিবার বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্যসহ দলের কয়েক জ্যেষ্ঠ নেতা দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গতকাল নির্বাচন কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে বিএনপি। এদিকে রাষ্ট্রপতি পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী করা হয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল থেকে মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনায় ৬ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। রাষ্ট্রপতি পদে একাধিক প্রার্থী থাকায় এবার জাতীয় সংসদে ভোটাভুটির মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি। ১৯৯১ সালের পর দেশে একাধিকবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও কোনোবারই ভোটের প্রয়োজন হয়নি। প্রতিবারই একজন প্রার্থী থাকায় তিনি বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এবার একাধিক প্রার্থী থাকায় সংসদ সদস্যদের ভোটেই নির্ধারিত হবেন রাষ্ট্রপতি। ১৯৯১ সালে বিরোধী দল আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রপতি পদে বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীকে প্রার্থী করেছিল। সেই নির্বাচনে সরকারি দল বিএনপির প্রার্থী আব্দুর রহমান বিশ্বাস রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
বর্তমান সংসদে জামায়াত জোটের সদস্য (এমপি) ৯০ জন। ৩৪৯ আসনের সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ স্বতন্ত্র এমপি ৮ জন। ইসলামী আন্দোলন, বিজেপি, গণ অধিকার পরিষদ এবং গণসংহতি আন্দোলনের একজন করে এমপি রয়েছেন। বাকি ২৪৭ জন এমপি বিএনপির। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৭৫ ভোট। ফলে বিএনপি প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। অর্থাৎ নিশ্চিত পরাজয় জেনে ১১ দলীয় ঐক্যজোট এ পদে প্রার্থী দিল।
এ প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণতন্ত্রের সৌন্দর্যের জন্য এটা (রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়া) দায়িত্ব হিসেবে আমরা নিয়েছি। আমরা মনে করি যে সর্বক্ষেত্রে রাজনীতি স্বচ্ছ হওয়া উচিত, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হওয়া উচিত। তাহলে গণতন্ত্রের গতি ফিরে আসবে।’
গত ১ আগস্ট গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির এক বৈঠক হয়। সেখানে দীর্ঘ আলোচনার পর রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যানের ওপর ন্যস্ত করেছে স্থায়ী কমিটি। বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, তফসিল ঘোষণার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বিশেষ অধিবেশনের দরকার পড়লে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে গতকাল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কার্যালয় থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এই দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তবে তারা কার জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদে একই ব্যক্তির নামে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার বিধান আছে। কারণ একটি মনোনয়নপত্রে কোনো ভুল-ত্রুটি থাকলে যাতে অন্যটি বিবেচনায় নেওয়া যায়। সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের নির্বাচনের সময়ও এমনটা করা হয়েছিল।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের নাম দিনভর আলোচনায় ছিল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমরা স্থায়ী কমিটির সভায় রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যানের ওপর ছেড়ে দিয়েছি।’
এদিকে জোটের প্রার্থী ঘোষণার পর ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অলি আহমদ বলেন, ‘একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এবং পরীক্ষিত একজন লোক, যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ নেই, শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো অভিযোগ নেই, সুন্দরভাবে জীবনযাপন করেছি বিধায় সবাই সর্বসম্মতিক্রমে আমার নাম প্রস্তাব করেছে।’ তিনি আরও বলেন, প্রার্থী চূড়ান্ত করার মাধ্যমে ১১ দলীয় ঐক্য জনগণকে বার্তা দিতে চায় যে কর্নেল অলি দেশের অভিভাবকত্বের যোগ্য। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণই একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। গণতন্ত্রের জন্যও এই প্রক্রিয়া প্রতিযোগিতামূলক ও অংশগ্রহণমূলক হওয়া উচিত।
বিএনপির একাধিক নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিএনপি মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের কঠিন সময়ে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দলের বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনে তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। তার সুচিন্তিত বক্তব্য ও শান্ত রাজনৈতিক কৌশল দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক মহলে তাকে একটি বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে। এ ছাড়া দেশের ভেতরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তার সমন্বয়ক ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে মির্জা ফখরুলের ব্যক্তিত্ব, অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক অভিভাবকের পদে সম্ভাব্য বিবেচনায় শীর্ষ সারিতে রেখেছে।
বিএনপিতে বিশ্বস্ততা ও দুঃসময়ের কা-ারি হিসেবে মির্জা ফখরুল অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন ‘সাদামাটা ও সজ্জন’ রাজনীতিবিদ হিসেবে সমধিক পরিচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ আজ পর্যন্ত মেলেনি। শুধু তা-ই নয়, রাজনৈতিক বিতর্কে শালীনতা বজায় রাখা এবং মার্জিত আচরণের জন্য তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের কাছেও সমানভাবে শ্রদ্ধেয়। বিশেষ করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির চরম দুঃসময়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন মির্জা ফখরুল।
১৯৪৮ সালে ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম নেওয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রয়েছে বর্ণাঢ্য পারিবারিক ইতিহাস। তার বাবা মরহুম রুহুল আমিন (চখা মিয়া) ছিলেন কৃষি প্রতিমন্ত্রী। তার বড় চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ ১৯৭৮ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ভূমিমন্ত্রী এবং ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১-৯৬ সাল পর্যন্ত আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।
১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ : গতকাল মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী করা হয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে।
এর আগে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘জুলাই সনদ এবং রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপি অনীহা দেখিয়েছে। তারা পূর্বতন সরকারগুলোর মতোই এগিয়ে যাচ্ছে। আশা করা হয়েছিল, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটা জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংস্কারের মাধ্যমে হবে। কিন্তু বিএনপি এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি সংস্কারের পথে হাঁটলে ঐক্যবদ্ধভাবে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দল মিলে এককভাবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়া যেত। কিন্তু তারা সেটা করেনি। এ জন্য ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়া হচ্ছে।’
অলি আহমদ একজন বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধা, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী। তিনি ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহে অংশ নেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করে। ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠন করলে তিনি সেনাবাহিনীতে তার চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে যোগদান করেন। তখন তার আরও ৯ বছর চাকরি ছিল। এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি যোগাযোগমন্ত্রী হন। যমুনা সেতুর কাজ তার সময়েই শুরু হয়। দীর্ঘকাল বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত থাকার পর ২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি গঠন করেন। অবশ্য তিনি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে মতবিরোধের পর সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।
রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনায় ৬ কমিটি : নতুন রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সুচারু ও সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে ছয়টি কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। গতকাল রবিবার এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। নির্বাচন শেষে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে নির্ধারিত দিন, তারিখ, সময় ও স্থানে রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটি যথাযথ মর্যাদায় আয়োজনের জন্য এসব কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গঠিত কমিটিগুলোর মধ্যে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ফারাহ শাম্মীর নেতৃত্বে সমন্বয় কমিটি; প্রশাসন ও বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. শামীম সোহেলের নেতৃত্বে ডকুমেন্টেশন ও রেকর্ড সংরক্ষণ কমিটি এবং অতিথি তালিকা প্রণয়ন ও আমন্ত্রণপত্র মুদ্রণ কমিটি।
এ ছাড়া সমন্বয় অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসানের নেতৃত্বে আমন্ত্রণপত্র বিতরণ ও প্রাপ্তি যাচাই কমিটি, কমিটি ও অর্থনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে আসন ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ইয়াসমিন বেগমের নেতৃত্বে অভ্যর্থনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটিগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। চিঠি পাওয়ার পর কমিটিগুলো দ্রুত সভা করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করবে। কমিটির আহ্বায়করা নিয়মিতভাবে তাদের কার্যক্রম মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে (সমন্বয় ও সংস্কার) অবহিত করবেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নেবেন।
এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের লক্ষ্যে ঘোষিত তফসিল অনুসারে মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু হয়েছে। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এরপর যাচাই-বাছাই হবে। ১৮ আগস্ট মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। জাতীয় সংসদের অধিবেশনকক্ষে ভোটগ্রহণ ২০ আগস্ট। সংবিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রেও একজন সংসদ সদস্যের সমর্থন ও প্রস্তাব প্রয়োজন হয়।
