মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই মারা গেলেন মার্কিন অভিনেত্রী হেইডেন প্যানেটিয়ার। ১৭ আগস্ট ( রবিবার) তার মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। হেইডেনের প্রতিনিধির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অত্যন্ত গভীর দুঃখের সঙ্গে আমরা আমাদের প্রিয় হেইডেনের মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর জানাচ্ছি। তিনি ছিলেন অসাধারণ এক আলোকবর্তিকা, ছিলেন প্রবল প্রাণশক্তির অধিকারী। যারা তাকে চিনতেন, তাঁদের এবং পর্দায় যারা তাকে দেখেছেন, সেই কোটি মানুষের জীবনে তিনি অপরিসীম ভালোবাসা ও আনন্দ ছড়িয়ে দিয়েছেন।’
মাত্র পাঁচ বছর বয়সে অভিনয়ে অভিষেক হয়েছিল হেইডেনের। ১৯৯৪ সালে ‘ওয়ান লাইফ টু লাইভ’ ধারাবাহিকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয় তার পথচলা। ধারাবাহিকটির ২৭টি পর্বে দেখা গেছে তাঁকে। পরে ‘গাইডিং লাইট’-এ অভিনয় করেন ৪৫টি পর্বে। ২০০০ সালে ‘রিমেম্বার দ্য টাইটানস’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় পরিচিতি বাড়ে হেইডেনের। তবে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মোড় আসে ২০০৬ সালে। সে বছর এনবিসির জনপ্রিয় সিরিজ ‘হিরোজ’-এ ক্লেয়ার বেনেট চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন তিনি। চিয়ারলিডার ক্লেয়ার চরিত্রটি তাঁকে রাতারাতি পরিচিত করে তোলে। সিরিজটির ৭৩টি পর্বে অভিনয় করেছেন হেইডেন।
এরপর ২০১২ সালে ‘ন্যাশভিল’ সিরিজে জুলিয়েট বার্নস চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন হেইডেন। এ চরিত্রের জন্য তিনি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারের জন্য দুবার মনোনয়ন পান। ২০১২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সিরিজটির ১২৮টি পর্বে অভিনয় করেছেন তিনি। চলচ্চিত্রে হেইডেন সবচেয়ে বেশি আলোচিত হন ‘স্ক্রিম ৪’-এ কিরবি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য। ২০১১ সালের এ সিনেমায় তার অভিনীত কিরবি দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রায় এক যুগ পর ২০২৩ সালের ‘স্ক্রিম ৬’-এ একই চরিত্রে আবার পর্দায় ফেরেন তিনি। এ ছাড়া ‘আইস প্রিন্সেস’ সিনেমায় মিশেল ট্র্যাখটেনবার্গের সঙ্গে অভিনয় করেন। ‘ব্রিং ইট অন: অল অর নাথিং’ সিনেমাতেও দেখা গেছে তাকে।
নিউইয়র্কের পালিসেডেসে বেড়ে উঠেছেন হেইডেন। তার মা ছিলেন সোপ অপেরার অভিনেত্রী এবং বাবা ছিলেন ফায়ার ক্যাপ্টেন। ছোটবেলায় ‘অ্যালি ম্যাকবিল’ ও ‘ম্যালকম ইন দ্য মিডল’-এর মতো জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠানেও অভিনয় করেছেন তিনি। চলতি বছরের মে মাসে প্রকাশিত হয়েছে হেইডেনের প্রথম বই ‘দিস ইজ মি: আ রেকনিং’। আত্মজীবনীমূলক বইটিতে আলোয় থাকা জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন তিনি। মায়ের সঙ্গে তার জটিল সম্পর্ক এবং হলিউডে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথাও লিখেছেন বইটিতে।
ব্যক্তিজীবনের নানা সংকট নিয়েও প্রকাশ্যে কথা বলেছেন হেইডেন। দীর্ঘদিন অ্যালকোহল ও মাদকাসক্তির সঙ্গে লড়াই করেছেন তিনি। ২০২০ সালে পুনর্বাসনকেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়ার পর মাদক ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকার জীবন শুরু করেন।
ফের বিয়ের গুঞ্জন, নিশ্চুপ পূজা চেরি
চট্টগ্রামে ৫৫তম জশনে জুলুস ২৬ আগস্ট
সান্তাহারে অবৈধভাবে হোটেল পরিচালনার অপরাধে জরিমানা
চলন্ত মোটরসাইকেলে ভিডিও বানাতে গিয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মৃত্যু