গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, রোবটিক্স, স্কাউটিং ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিতে হবে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে স্বেচ্ছায় রক্তদান এবং রক্তের গ্রুপ নির্ণয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, প্রায় দশ বছর পর এই স্কুল প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আজ পুরোনো অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। এই স্কুলের প্রতিটি জায়গার সঙ্গে আমাদের শৈশব-কৈশোরের অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো—মডেল স্কুলের সেই পুরোনো ঐতিহ্য, গৌরব ও শ্রেষ্ঠত্ব যেন আবার ফিরে আসে। একসময় এই স্কুল দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ছিল। আমরা চাই, আবারও এটি বাংলাদেশের অন্যতম সেরা স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক।
পূর্ত মন্ত্রী বলেন, শহরের মধ্যে অবস্থিত হয়েও আমাদের স্কুলের এই অনন্য পরিবেশ ও বৈশিষ্ট্য ছিল সত্যিই ব্যতিক্রমী। আমাদের একজন শিক্ষার্থী রোবটিক্স নিয়ে অসাধারণ কাজ করে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে।
ওল্ড রিমেইন ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম।
ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে প্রাক্তন শিক্ষার্থী গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম তাদের শিক্ষা জীবনের স্মৃতি উল্লেখ করে বক্তব্য রাখেন।
কলেজের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে আয়োজিত রক্তদান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন।
বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাবের হোসেন।