টিআইবির বিবৃতি 

যারা আয়-ব্যয়ের হিসাব দেন তাদেরই বেতন বাড়ানো উচিত

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৫ এএম

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো (পে-স্কেল) মন্ত্রিসভায় অনুমোদনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে মন্তব্য করেছে টিআইবি। তবে এই পে-স্কেল বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হিসেবে সরকারি চাকরিজীবী ও পরিবারের নির্ভরশীল সদস্যদের আয়-ব্যয়ের হিসাব ও সম্পদবিবরণী প্রকাশের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিতে আবারও আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানায় টিআইবি।

বিবৃতিতে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, জনগণের করের টাকায় তাদের এই বেতন-ভাতা বৃদ্ধির কাক্সিক্ষত সুফল পেতে হলে, সব পর্যায়ের সরকারি কর্মজীবী ও তাদের পরিবারের নির্ভরশীল সদস্যদের আয় ও সম্পদের হিসাব বার্ষিক ভিত্তিতে হালনাগাদ করাসহ প্রকাশের বাধ্যবাধকতা বাস্তবায়ন করতে হবে। অর্থাৎ যেসব কর্মজীবী তাদের আয়-ব্যয় ও সম্পদবিবরণী প্রতি বছর হালনাগাদ করাসহ প্রকাশ করবেন, কেবল তাদের জন্যই নতুন বেতন-ভাতা বৃদ্ধি প্রযোজ্য হওয়া উচিত। যারা প্রকাশ করবেন না, তাদের জন্য নতুন পে-স্কেল প্রযোজ্য হওয়া অনুচিত। এই শর্ত বাস্তবায়িত হলে সরকারি খাতে দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত সেবার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে মনে করেন তিনি।

নতুন বেতনকাঠামো সরকারি কর্মজীবীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও কর্মোদ্দীপনা বাড়ানোর পাশাপাশি, দক্ষ ও জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সরকার যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে, তা উল্লেখ করে  ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এর আগে সর্বশেষ ২০১৫ সালে বাস্তবায়িত অষ্টম পে-স্কেলের ক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে একই আশাবাদ ছিল, কিন্তু বাস্তবতা হয়েছে সম্পূর্ণ বিপরীত। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির বিপরীতে সরকারি প্রতিষ্ঠানে ঘুষ-দুর্নীতি ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এবার অন্তত তার ব্যতিক্রম হবে এই বিশ্বাস করতে চাই। সর্বোপরি সরকারি কর্মজীবীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির ফলে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিসহ মূল্যস্ফীতি ঘটার আশঙ্কাও করেছে টিআইবি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত