হরিণের ঘ্রাণশক্তি অত্যন্ত প্রখর। এটি তাদের বেঁচে থাকার প্রধান হাতিয়ার। তাদের নাকে কোটি কোটি ঘ্রাণগ্রাহী বা অলফ্যাক্টরি রিসেপ্টর থাকে। মানুষের তুলনায় যা বহুগুণ শক্তিশালী। অনেক দূর থেকে শিকারি প্রাণী বা মানুষের গন্ধ এরা সহজে টের পায়। মূত্র, মল এবং গ্রন্থির ক্ষরণের গন্ধ শুঁকে তারা একে অপরের উপস্থিতি, প্রজনন অবস্থা ও বিপদ সম্পর্কে বার্তা আদান-প্রদান করে। হরিণ ‘সার্ভিডি’ গোত্রের চতুর স্তন্যপায়ী প্রাণী। এদের লম্বা ও শক্তিশালী পা, ছোট লেজ, লম্বা কান এবং তৃণভোজী স্বভাব রয়েছে। পুরুষ হরিণের মাথায় সাধারণত শাখা-প্রশাখযুক্ত শিং থাকে, যা প্রতি বছর খসে পড়ে এবং নতুনভাবে গজায়। আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার ওপর ভিত্তি করে তাদের ঘ্রাণ নেওয়ার ক্ষমতা ও বাতাসের গন্ধের বিস্তার পরিবর্তিত হয়। কস্তুরী হরিণ বা মাস্ক ডিয়ার হলো এক প্রজাতির পুরুষ হরিণ। হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চল, সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, কিরগিজস্তান এবং কোরিয়ায় এই প্রজাতির হরিণ থাকে। তাদের দেহের গঠন মোটা এবং পেছনের পা সামনের পায়ের তুলনায় লম্বা। কস্তুরী হলো একটি বিশেষ ধরনের সুগন্ধি। একে পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান সুগন্ধি বলা যায়। এই প্রজাতির হরিণের নাভিতে একটি বিশেষ গ্রন্থি থাকে, যা থেকে কস্তুরী উৎপন্ন হয়। বন্য হরিণের গড় আয়ু সাধারণত ৩ থেকে ৬ বছর, তবে অনুকূল পরিবেশে বা বন্দিদশায় এরা ১০ থেকে ১৫ বছর বা তার বেশি সময় বাঁচতে পারে।
হরিণের হাতিয়ার
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ এএম
আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ এএম
হরিণের হাতিয়ার
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০