জন্মাষ্টমীতে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি বিএমজেপির

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম

পবিত্র জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি)-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল ও মহাসচিব দিলীপ কুমার দাস।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব বলেন, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ধরাধামে আবির্ভাব হয়েছিল সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য। গীতায় তিনি অন্যায়, অত্যাচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সমাজে শান্তি ও মানবধর্ম প্রতিষ্ঠার শিক্ষা দিয়েছেন। বর্তমান বিশ্ব ও জাতীয় প্রেক্ষাপটে শ্রীকৃষ্ণের সেই শান্তির বাণী এবং সত্য ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

বিবৃতিতে বিএমজেপির সভাপতি ও মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ আবহমানকাল থেকেই ধর্মীয় সম্প্রীতি ও বহুত্ববাদী চেতনার দেশ। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, যুগে যুগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার ও নিরাপত্তার সংকট দেখা দিয়েছে। জন্মাষ্টমীর এই পবিত্র দিনে দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা রক্ষা এবং প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার, মর্যাদা ও পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করতে হবে। 

দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব সরকারের কাছে তিনটি দাবি জানানো হয়। এগুলো হলো—দেশের যেকোনো প্রান্তে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে জন্মাষ্টমীসহ সব ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন তা নিশ্চিত করা, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা, বৈষম্য নিরসন এবং যেকোনো ধরনের নিপীড়ন প্রতিরোধে অবিলম্বে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও একটি স্বাধীন সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করা, এবং দেশের সব মন্দির, মঠ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের স্থায়ী নিরাপত্তাবিধান করা।

বিবৃতির শেষে বিএমজেপির সভাপতি ও মহাসচিব বলেন, শ্রীকৃষ্ণের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সব ধরনের হিংসা, বিদ্বেষ, ধর্মান্ধতা ও বৈষম্য পেছনে ফেলে একটি নিরাপদ, শান্তিময় ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। শ্রীকৃষ্ণের কৃপায় সবার জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক—এ প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তারা।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত