কক্সবাজারের পেকুয়ায় ডেনিস বোটে ওঠার সময় সাগরে পড়ে নিখোঁজের ২০ ঘণ্টা পর যুবক শামীমের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মগনামা-কুতুবদিয়া নৌপথের চ্যানেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত শামীম (৩০) ভোলার ইলিশাঘাট এলাকার মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে ও চট্টগ্রামের একটি শিপিং কোম্পানি চাকরিরত ছিলেন।
নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মগনামা ঘাট থেকে যাত্রীবাহী ডেনিস বোটে স্ত্রীসহ ওঠার সময় অসাবধানতাবশত সাগরের পানিতে পড়ে যান শামীম। স্থানীয় লোকজন ও বোটের মাঝিরা তাকে উদ্ধারে সাগরে নেমে পড়ে চেষ্টা চালিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরে খবর পেয়ে নৌবাহিনীর ডুবুরি দল, ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড অভিযান শুরু করে। প্রায় চার ঘণ্টা অভিযান চালিয়েও শনিবার রাতে শামীমের সন্ধান পাওয়া যায়নি। রাতভর নিখোঁজ থাকার পর রবিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত শামীম স্ত্রী করিমা বেগম জানান, কুতুবদিয়ায় শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়াগামী যাত্রীবাহী বোটে উঠার সময় সাগরের পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পেকুয়া ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ শফিউল আলম বলেন, পেকুয়া কুতুবদিয়া মহেশখালীসহ কক্সবাজার জেলায় কোনো ডুবরি নেই। ডুবরির জন্য চট্টগ্রামের দিকে থাকিয়ে থাকতে হয।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। পরে নৌবাহিনীর ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালায়। কোস্ট গার্ডের একটি দলও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। রবিবার সকালে শামীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।