জিডি ট্রফির লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে বড় জয় তুলে নিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। গতকাল মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দলকে ২১৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। আগামী বুধবার শিরোপার লড়াইয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মুখোমুখি হবে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। ব্যাট হাতে আব্দুল্লাহ সিফাতের সেঞ্চুরি এবং বল হাতে স্বাধীন ইসলামের ঘূর্ণিতে ম্যাচটি একতরফা করে ফেলে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৪৫ রান সংগ্রহ করে তারা। জবাবে অনূর্ধ্ব-১৭ দলের ইনিংস থামে মাত্র ১৩০ রানে।
টপ অর্ডারে আজিজুল হাকিম তামিমের শুরুটা ভালো না হলেও আদিল বিন সিদ্দিক ৩১ বলে ৪০ রান করে দলকে বড় সংগ্রহের পথে রাখেন। এরপর রিজান হোসেনের ব্যাটে আসে আরও গতি। ৯৩ বলে ৭৬ রান করেন তিনি। যদিও অধিনায়ক কালাম সিদ্দিকী অলিন ৪ বল খেলেও কোনো রান করতে পারেননি। এরপর ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেন সিফাত। এক প্রান্ত ধরে রেখে ধীরে ধীরে ইনিংস বড় করেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। ৯৩ বলের মোকাবিলায় ১০১ রান করে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। সিফাতের ইনিংসের সঙ্গে কার্যকর জুটি গড়েন আহরার আমিন পিয়ান। ৪০ বলে ৫২ রান করেন এই ব্যাটার।
শেষদিকে দেবাশীষ সরকার দেবা ও মাহফুজুর রহমান রাব্বি দ্রুত রান তুলে দলের স্কোর তিন শ পেরিয়ে দেন। দেবা ১৮ বলে ২৭ এবং রাব্বি মাত্র ৯ বলে ২২ রান করেন। অনূর্ধ্ব-১৭ দলের বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ মাজাদুল ও মোহাম্মদ ইফতেখার দুটি করে উইকেট নেন। মোহাম্মদ ফরহাদ আহমেদ, মোহাম্মদ আফিপ হাসান লিখন ও ইমরান ভূঁইয়া একটি করে উইকেট শিকার করেন।
রান তাড়ায় শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় অনূর্ধ্ব-১৭ দল। স্বাধীন ও পিয়ানের স্পিন সামলাতে না পেরে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। দলের কোনো ব্যাটারই ৩০ রানের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন ইমরান। আগের ম্যাচের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন স্বাধীন। লেগ স্পিনের ভেলকিতে আবারও প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। পিয়ান পেয়েছেন ২ উইকেট। তাদের বোলিং আক্রমণের সামনে ১৩০ রানেই গুটিয়ে যায় অনূর্ধ্ব-১৭ দল।
রোনালদোর মতো স্পনসর বোতল সরিয়ে নতুন বিতর্কে এমবাপ্পে