বামার লাইসেন্স বাতিল করল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশনের (বামা) লাইসেন্স বাতিল করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

একাধিক সংগঠনের কারণে কীটনাশক খাতের বিশৃঙ্খলা দূর করতে বৃহষ্পতিবার বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপণে সংগঠনের নিবন্ধন বাতিলের কথা জানানো হয়।

জানা গেছে, বালাইনাশকের ব্যবসায়ীদের বড় সংগঠন বাংলাদেশ ক্রপ প্রটেকশন এসোসিয়েশন (বিসিপিএ) এর সদস্য সংখ্যা ১২৩০। অন্যদিকে বামার সদস্য সংখ্যা মাত্র ২০টি। আবার দুটি সংগঠনের উদ্দেশ্যই এক। এই প্রেক্ষাপটে দুটি সংগঠন থাকার কোন যৌক্তিকতা নেই। এজন্য পরে তৈরি হওয়া সংগঠন বামার লাইসেন্স বাতিল করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিপিএ এবং বামার লক্ষ অভিন্ন হওয়ায় একই খাতের একাধিক সংগঠন থাকায় বালাইনাশক আমদানি, উৎপাদন, বিতরণ ও বাজারজাতকরণে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বালাইনাশক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি বাণিজ্য সংগঠন থাকাই যুক্তিযুক্ত। ফলে বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২ এর ৮ ধারা এবং বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা ২০২৫ এর ১০ বিধির ক্ষমতাবলে বামার লাইসেন্স বাতিল করা হলো। 

জানা গেছে, বামার সভাপতি কেএসএম মুস্তাফিজুর রহমান। তিনিও বিসিপিএ এর সদস্য। তবে নানা কারণে পুরনো সংগঠন বিসিপিএতে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে না পেরে তিনি নিজেই একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। লাইসেন্সও পান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের। তবে একই খাতের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিরোধে জড়ানোর কারণে বামাতে আসা কিছু সদস্য পুনরায় এই সংগঠন ছাড়েন। এরই মধ্যে বিসিপিএ আইনি প্রক্রিয়ায় বামার লাইসেন্স বাতিলের জন্য বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগে আবেদন করেন। এ বিষয়ে দীর্ঘদিনের শুনানি ও দেনদরবার শেষে বিসিপিএ এর পক্ষে রায় এসেছে। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, বামার অধিকাংশ সদস্য টি.ও লাইসেন্স পাওয়ার আগে বিসিপিএ এর সদস্য ছিল। এখনো বামার বেশিরভাগ সদস্যই (সভাপতি সহ) বিসিপিএ এর সদস্য। এ কারণে বামাকে বিসিপিএ এর সঙ্গে একীভূত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং বামার লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত