ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

‘তরুণ সমাজ যে পরিবর্তন করতে পারে, সেটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তরুণ সমাজ সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে। পরিবর্তনের সূচনা সেখান থেকেই তরুণ সমাজ করেছে।’

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম

তরুণদের কাছে দেশকে পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিন প্লাজায় তিনমাস ব্যাপী সারাদেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, এইবার আপনারা আমাকে বলেন, এতগুলো মানুষ—আমরা যদি দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই, কেউ কি ঠেকিয়ে রাখতে পারবে? কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। আপনাদেরকে দায়িত্ব নিতে হবে দেশটা কীভাবে আমরা গড়ে তুলব। এই দেশটা আমাদেরকে গড়ে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণ সমাজ যে পরিবর্তন করতে পারে, সেটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তরুণ সমাজ সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে। পরিবর্তনের সূচনা সেখান থেকেই তরুণ সমাজ করেছে।

নাগরিক সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেকে সুস্থ রাখি, সমাজকে সুস্থ রাখি। প্রতি সপ্তাহে এক ঘণ্টা করে পরিচ্ছন্নতার জন্য সময় দিলে অবশ্যই পরিস্থিতির পরিবর্তন আসবে। আমাদের আগামী দিনের মূল লক্ষ্য একটি—পরিচ্ছন্ন পরিবার, পরিচ্ছন্ন দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী তিন মাস সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু শতভাগ নির্মূল করা পুরোপুরি সম্ভব না হলেও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এ জন্য দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভাপতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক ও দক্ষিন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম বক্তব্য রাখেন।

ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ সময় বিবেচনায় ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।

ঢাকাসহ সব মহানগর, বিভাগ, জেলা, উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এ কর্মসূচির আওতায় মহানগর এলাকায় সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকেরা কার্যক্রম সমন্বয় করবেন।

উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) স্থানীয় পর্যায়ের কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত