বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যুতে গোলাম পরওয়ারের নিন্দা

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আহত বাংলাদেশি যুবক আসাদুল হক (৩৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় আরও দুই বাংলাদেশি নাগরিক গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন এবং নিহতের পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, পীরগঞ্জ সীমান্ত থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফের গুলিতে আসাদুল হক আহত হওয়ার পর ভারতীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তে অন্য দেশের নাগরিককে কোনো কারণেই গুলি করে হত্যা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের নাগরিককে গুলি করে হত্যা মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক রীতি-নীতির পরিপন্থী।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান, সমতা, ন্যায়বিচার ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া উচিত। সীমান্তে বারবার প্রাণহানির ঘটনা কোনোভাবেই দুই দেশের জনগণের প্রত্যাশিত সুসম্পর্কের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করে মানবিক ও শান্তিপূর্ণ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনার বিষয়ে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক ও জোরালো প্রতিবাদ জানাতে হবে এবং পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করতে হবে। একই সঙ্গে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রাণহানি রোধে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত