সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তাকে হেয়প্রতিপন্নের প্রতিবাদ, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৬ পিএম

সোনালী ব্যাংক পিএলসির কোটালীপাড়া উপজেলার ঘাঘর শাখার ক্যাশ অফিসার ফৌজিয়া হককে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনায় তাকে গণমাধ্যমে হেয়প্রতিপন্ন ও আগেই দোষী সাব্যস্ত করার প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (জেবিএবি) এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ। 

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পৃথক বিবৃতিতে সংগঠন দুটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

জেবিএবির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, ব্যাংকের ক্যাশ সেকশন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও সংবেদনশীল। অতিরিক্ত গ্রাহকচাপের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃত ছোটখাটো ভুল হতে পারে। ঘাঘর শাখায় পাঁচ লাখ টাকা জমার ক্ষেত্রে ৫০০ টাকার নয়টি নোট সাময়িকভাবে আলাদা করে রাখার বিষয়টি পরে ভুলে যাওয়ায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয় বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার পর বিষয়টির সমাধান হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মো. মোতাহের হোসেন বলেন, কোনো অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় তদন্ত করে প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিসিটিভি ফুটেজ, ক্যাশ হিসাব, লেনদেনের রেকর্ড এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করার দাবি জানান তিনি।

বিবৃতিতে সংগঠন দুটি আরও বলেছে, সাংবাদিকতার স্বাধীনতার প্রতি তাদের পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে। তবে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই কোনো ব্যাংকারকে জনসমক্ষে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়। এতে একজন কর্মকর্তার পেশাগত ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

নেতারা বলেন, অনিয়মের বিচার হোক, কিন্তু ব্যাংকারের হেনস্থা নয়; অভিযোগের তদন্ত হোক, সিদ্ধান্ত হোক প্রমাণের ভিত্তিতে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত