জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাত বছরের এক শিশুকে স্কুল থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরে মরদেহ গোপন করতে ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির সহপাঠীর বাবা জামিনুর ইসলামকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, নিহত শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। জামিনুরের মেয়েও একই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করত। বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলে যাওয়ার পর কৌশলে শিশুটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান জামিনুর। ওই সময় তার স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না বলে জানায় পুলিশ।
অভিযোগ অনুযায়ী, বাড়িতে নেওয়ার পর শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়। পরে বিষয়টি গোপন রাখতে ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে শিশুটিকে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ ঘরের মেঝেতে খোঁড়া গর্তে পুঁতে রাখে সে।
এদিকে স্কুল ছুটির পরও শিশুটি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে ওই দিনই শিশুটির বাবা মাদারগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পুলিশ জানায়, নিখোঁজের তিন দিন পর শনিবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামিনুরের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঘরের মেঝে খুঁড়ে মাটির নিচ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মাদারগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ভুঞাঁ জানান, এ ঘটনায় জামিনুর ইসলাম আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার বিকেলে মাদারগঞ্জ আমলি আদালতের বিচারক রোমানা আক্তার তার জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উত্তরা থেকে জামালপুর জেলার আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার