প্রেশার কুকার

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৮ এএম

রান্নাঘরের সময় ও পরিশ্রম কমাতে প্রেশার কুকার বেশ জনপ্রিয় সরঞ্জাম। এর ইতিহাসও বেশ পুরনো। ১৬৭৯ সালে ফরাসি পদার্থবিদ ডেনিস পাপিন বাষ্পের চাপ ব্যবহার করে ‘স্টিম ডাইজেস্টার’ নামে একটি যন্ত্র তৈরি করেন। এটিকেই আধুনিক প্রেশার কুকারের পূর্বসূরি হিসেবে ধরা হয়। পরবর্তী সময়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নকশায় পরিবর্তন এনে রান্নাঘরের উপযোগী করা হয়। সময় বাঁচায় বলে গৃহিণীদের কাছে এর জনপ্রিয়তা অনেক।

 প্রেশার কুকারের ঢাকনা বন্ধ করে রান্না করলে ভেতরে বাষ্প আটকে চাপ তৈরি হয়। ফলে পানির স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে যায় এবং সাধারণ পদ্ধতির তুলনায় বেশি তাপমাত্রায় খাবার রান্না হয়। এতে রান্নার সময় যেমন কমে, তেমনি জ্বালানিও তুলনামূলকভাবে সাশ্রয় হয়। ডাল, ছোলা, মাংস, খিচুড়ি, আলু ও বিভিন্ন শক্ত সবজি দ্রুত নরম করতে প্রেশার কুকার বিশেষভাবে কার্যকর। তবে এর কিছু অসুবিধাও রয়েছে। অতিরিক্ত সময় রান্না করলে খাবার বেশি নরম বা গলে যেতে পারে। রান্নার সময় ঢাকনা খুলে সহজে খাবার পরীক্ষা করা যায় না। ভুলভাবে ব্যবহার করলে গরম বাষ্পে পোড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই কুকারের নির্ধারিত সীমার বেশি পানি বা খাবার ভরা উচিত নয় । চাপ সম্পূর্ণভাবে কমার আগে ঢাকনা খোলা যাবে না। নিয়মিত ভালভ ও রাবার গ্যাসকেট পরীক্ষা করাও জরুরি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত