মানিলন্ডারিং ইউনিট গঠনের নির্দেশ

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০ এএম

পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকা-ে অর্থায়ন ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এ জন্য ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, সিকিউরিটিজ কাস্টডিয়ান ও সম্পদব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আলাদা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন ইউনিট গঠন করতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার বিএফআইইউ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে চিফ অ্যান্টি মানিলন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসারের (ক্যামলকো) নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট গঠন করতে হবে। একই সঙ্গে শাখা পর্যায়ে শাখা অ্যান্টি মানিলন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার (বিএএমএলকো) নিয়োগ দিতে হবে। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকা-ে অর্থায়ন প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করে তা কার্যকর করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, গ্রাহকের হিসাব খোলার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন সনদসহ নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। প্রয়োজনে ইলেকট্রনিক কেওয়াইসি পদ্ধতিও ব্যবহার করা যাবে। এ ছাড়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞার তালিকা এবং বাংলাদেশ সরকারের তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা নিষিদ্ধ সত্তার সঙ্গে কোনো গ্রাহকের সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করতে হবে।

গ্রাহকের লেনদেনও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কোনো লেনদেন জটিল, অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা আপাতদৃষ্টিতে অবৈধ মনে হলে তা লিখিতভাবে শাখার মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। এরপর কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট বিষয়টি যাচাই করবে। সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়ে পরবর্তী সময়ে গো-এএমএল ওয়েবের মাধ্যমে দ্রুত বিএফআইইউকে রিপোর্ট করতে হবে। এ ধরনের রিপোর্টের ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা কঠোরভাবে বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত