ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে আরজান মিয়া (৩০) নামে এক অটোরিকশাচালকের মুখ ও শরীরে কসটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নাসিরনগর উপজেলা সদরের সরকারি কলেজের গেটের সামনে মামুন মার্কেটের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের বেনিপাড়া এলাকা থেকে আরজানের অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়।
আরজান মিয়া লাখাই উপজেলার চিকনপুর গ্রামের আব্দুল আওয়াল মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন আরজান। সাধারণত দুপুরে বাড়িতে ফিরে খাবার খেয়ে আবার কাজে বের হতেন। তবে সেদিন দুপুরে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। দুপুর গড়িয়ে রাত হলেও তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি।
নিহতের বাবা আব্দুল আওয়াল বলেন, আরজান বাড়িতে না ফেরায় তার মুঠোফোনে কল করা হয়। দুবার কল ঢোকার পরই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের উৎকণ্ঠা আরও বেড়ে যায়। পরে লাখাইয়ের বিভিন্ন ইউনিয়নে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
সোমবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাসিরনগরে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের খবর পান পরিবারের সদস্যরা। পরে সেখানে গিয়ে মরদেহটি তার ছেলে আরজানের বলে শনাক্ত করেন আব্দুল আওয়াল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার শচীন চাকমা জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে এসেছেন। তবে তিনি পৌঁছানোর আগেই নিহতের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।
নিখোঁজের ৬ দিন পর অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার