পদ্মার তীরে একদিন

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ এএম

শিক্ষার্থী, দ্বিতীয় শ্রেণি টঙ্গিবাড়ী সানরাইজ কিন্ডারগার্টেন

নদীমাতৃক দেশ আমাদের এ বাংলাদেশ। শত শত ছোট-বড় নদ-নদী আমাদের দেশে রয়েছে। শুধু কি তাই? বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম হলো নদী। নদী দেশের প্রাণ। তাই নদী আমার খুব প্রিয়। আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর নদী, পদ্মা নদী।

মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মা নদীর ওপর সেতু তার আশপাশ দেশের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা। পদ্মার পাড়ে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দের অভিজ্ঞতা আজ পায়রা-বন্ধুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করব। ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা শেষে মামা আগস্ট মাসের মাঝামাঝি আমাদের বাড়ি বেড়াতে এসেছিল। তখন বর্ষাকাল। মামা প্রস্তাব করল, ছুটির দিনে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা নদী ও আশপাশ ঘুরে বেড়ানোর। সেই প্রস্তাবে বাবাও রাজি হলেন। তার পরের দিন নাশতা সেরেই বাড়ি থেকে বেলা ১১টায় সিএনজিচালিত অটোতে রওনা হলাম। এবার ভ্রমণে আমরা চারজন। মা, বাবা, মামা আর আমি। মাওয়া পদ্মা নদীর পাড়ে ঘণ্টাখানের মধ্যেই চলে এলাম আমরা। বর্ষায় এখানকার নদীর রূপ অসাধারণ। তাই দেখতে আমাদের মতো নদীর পাড়ে শত শত মানুষের ভিড় জমেছে। নদীর পাড়ে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি শেষে নদীর বুকে জোয়ার-ভাটা, স্রোতের খেলা ও নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করলাম। দুপুরে খেলাম ভাতের সঙ্গে পদ্মার রুপালি ইলিশ আর বেগুন ভাজি। বাহ্, দারুণ তো! তা দিয়েই দুপুরের খাবার শেষ করলাম। এরপর নদীতে চারপাশ ঘুরে বেড়াতে মামা ভাড়া করলেন ইঞ্জিনচালিত নৌকা। নৌকা যতই এগিয়ে যাচ্ছে, নদী দেখে ততই মুগ্ধ হচ্ছি। নদীর বুকে অসংখ্য জেগে থাকা চর দেখতে পেলাম। জেলেদের মাছ ধরা দারুণ লাগে। নৌকা যখন পদ্মা সেতুর নিচ দিয়ে যায় তখনকার মুহূর্তটা অনেক সুন্দর। আমরা নদী আর প্রকৃতি দেখতে দেখতে সূর্যমামা লাল হয়ে নদীর জলে হারিয়ে গেল! নদীর বুকে ভেসে বেড়ানো এক অন্যরকম আনন্দ। সত্যিই চমৎকার!

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত