বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়াতে নতুন করে প্রণোদনার আওতা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনের বিপরীতে একুয়্যারিং প্রতিষ্ঠানকে ০.১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে ০.২০ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হবে। মাসিক ভিত্তিতে এ প্রণোদনা পরিশোধ করা হবে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে। এতে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) ও আন্তর্জাতিক পেমেন্ট স্কিমকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে অনবোর্ডকৃত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারী মার্চেন্ট পয়েন্টের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য সব মার্চেন্ট পয়েন্টও এ প্রণোদনার আওতায় আসবে। এসব প্রতিষ্ঠানে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার করে জাতীয় পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন হওয়া লেনদেনের বিপরীতে প্রণোদনা দেওয়া হবে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনের বিপরীতে মাসিক ভিত্তিতে একুয়্যারিং প্রতিষ্ঠানকে ০.১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে ০.২০ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হবে।
এর আগে গত ১০ আগস্ট জারি করা পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২-এর সার্কুলার লেটারের ২ নম্বর অনুচ্ছেদে বাংলা কিউআর লেনদেনের জন্য প্রণোদনার বিধান করা হয়েছিল। নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে ওই অনুচ্ছেদটি প্রতিস্থাপন করে প্রণোদনার পরিধি বাড়ানো হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারীদের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য মার্চেন্ট পয়েন্টও বাংলা কিউআর লেনদেনের প্রণোদনা সুবিধার আওতায় এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন সার্কুলারে প্রতিস্থাপিত অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা শর্তগুলো কার্যকর থাকবে। একই সঙ্গে আগের সার্কুলারের অন্যান্য অনুচ্ছেদের বিধান অপরিবর্তিত থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২-এর পরিচালক মো. শরাফত উল্লাহ খান স্বাক্ষরিত সার্কুলারটি সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে পাঠানো হয়েছে।