বাংলা কিউআরের জন্য ৩ মাসের পদক্ষেপ

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ এএম

বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়াতে আগামী তিন মাসে পর্যায়ক্রমে বেশ কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হবে। এতে লেনদেন আরও সহজ, দ্রুত ও ব্যয়সাশ্রয়ী হবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলা কিউআরের মাধ্যমে আগামী ১ নভেম্বর থেকে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি বা পি-টু-পি লেনদেন চালু হবে। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলা কিউআর ব্যবহারে লেনদেনের অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে মার্চেন্টের হিসাবে জমা, পেমেন্ট খরচ কমানো ও প্রণোদনাসহ একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবার গ্রাহকরা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে দেশব্যাপী প্রায় ৪০ লাখ মার্চেন্টে বাংলা কিউআর স্ক্যান করে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে পারছেন। গত জুনে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ বাংলা কিউআর পেমেন্ট হতো। তখন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৮ কোটির বেশি টাকা। বর্তমানে দৈনিক গড়ে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার বাংলা কিউআর লেনদেন হচ্ছে, যার অর্থমূল্য প্রায় ১৪৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৯০ দিনের ব্যবধানে বাংলা কিউআর লেনদেনের সংখ্যা গড়ে ৩ দশমিক ৫ গুণ এবং অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫ গুণ বেড়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সর্বস্তরের মানুষকে ডিজিটাল অর্থনীতির আওতায় আনতে নিরাপদ, সহজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আন্তঃব্যবহারযোগ্য ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলার অংশ হিসেবে বাংলা কিউআর চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়াতে গত ১ জুলাই থেকে সব ধরনের নিজস্ব কিউআরের পরিবর্তে বাংলা কিউআর চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনের কার্যকারিতা, প্রচার ও মূল্য নির্ধারণের বিষয় বিবেচনায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আগামী ১ অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক পেমেন্টের অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট মার্চেন্টের হিসাবে জমা হবে। একই দিন থেকে বাংলা কিউআর পেমেন্টে অর্থগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের ন্যূনতম ১ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট হার বাতিল এবং অর্থপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের আন্তঃপ্রতিষ্ঠান ফি শূন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত