এশিয়ান ডুপ্লেক্স টাউনে প্রকৃতির কাছাকাছি আধুনিক আবাসন

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৯ এএম

শহরের ব্যস্ততা ও কোলাহল থেকে কিছুটা দূরে থেকে আধুনিক জীবনযাপনের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলেছে এশিয়ান ডুপ্লেক্স টাউন লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির ডুপ্লেক্স ভিলাকেন্দ্রিক এই আবাসন প্রকল্পে নান্দনিক স্থাপত্যের পাশাপাশি সবুজ পরিসর, লেক, খোলা জায়গা, নিরাপত্তা ও বিনোদনের বিভিন্ন সুবিধা রাখা হয়েছে।

আবাসন প্রকল্পটিতে বসবাসের জায়গার পাশাপাশি একটি পরিকল্পিত কমিউনিটি গড়ে তোলার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ডুপ্লেক্স ভিলাগুলোর নকশায় প্রশস্ততা, আলো-বাতাসের স্বাভাবিক প্রবাহ এবং আধুনিক স্থাপত্যের সমন্বয় করা হয়েছে। সুচিন্তিত লেআউট, প্রিমিয়াম ফিনিশিং ও মানসম্মত ফিটিংস ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রকল্পটির পরিবেশ পরিকল্পনায় রয়েছে সবুজ ল্যান্ডস্কেপ, ছায়াময় রাস্তা, খোলা জায়গা ও লেক। ফলে আবাসিক এলাকার মধ্যেই প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ভাষ্য, শহুরে জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও বাসিন্দাদের জন্য নিরিবিলি ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরির বিষয়টি প্রকল্পের পরিকল্পনায় গুরুত্ব পেয়েছে।

আধুনিক আবাসনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আবাসিক স্পেসের পাশাপাশি নিরাপদ ও পরিকল্পিত কমিউনিটির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। এশিয়ান ডুপ্লেক্স টাউনে রয়েছে গেটেড-কমিউনিটি ও ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তাব্যবস্থা। পরিবারের সদস্যদের অবসর ও বিনোদনের জন্য রাখা হয়েছে রিক্রিয়েশন সেন্টার, লেক, জিমনেসিয়াম এবং বিভিন্ন ইনডোর ও আউটডোর বিনোদনের সুযোগ। শিশুদের জন্য রয়েছে প্লে-এরিয়া। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে সময় কাটানোর জন্য রয়েছে সবুজ খোলা জায়গা। এসব সুবিধার মাধ্যমে আবাসিক এলাকার ভেতরেই পরিবারকেন্দ্রিক অবসর ও বিনোদনের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রকল্পটির পরিকল্পনায় শহরের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ নগর সুবিধার সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি বিমানবন্দর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবায় সহজে পৌঁছানো যায়। আবাসিক প্রকল্পের ক্ষেত্রে শহরের সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে যোগাযোগ এবং একই সঙ্গে তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ দুটির সমন্বয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এশিয়ান ডুপ্লেক্স টাউন লিমিটেডের পরিকল্পনায়ও এই দুই দিককে একসঙ্গে রাখার কথা বলা হয়েছে।

প্রকল্পটির আবাসন ধারণায় শুধু একটি বাড়িকে কেন্দ্র করে বসবাসের পরিবর্তে নিরাপত্তা, সবুজ পরিবেশ, বিনোদন ও কমিউনিটি সুবিধাকে একসঙ্গে যুক্ত করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ফলে একটি পরিবারের দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দিককে একই আবাসিক পরিসরের মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি বাড়ি শুধু বসবাসের জায়গা নয়; এর সঙ্গে পরিবারের জীবনযাপন, স্বাচ্ছন্দ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও যুক্ত থাকে। সেই ভাবনা থেকেই এশিয়ান ডুপ্লেক্স টাউনকে একটি আবাসিক ঠিকানার পাশাপাশি জীবনযাপনের একটি সমন্বিত পরিসর হিসেবে গড়ে তোলার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এশিয়ান ডুপ্লেক্স টাউনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঢাকায় একটি বিল্ডিংয়ের সঙ্গে আরেকটি বিল্ডিং লেগে থাকে। যার ফলে ভূমিকম্প হলে শক্ত বিল্ডিংও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু এশিয়ান ডুপ্লেক্স প্রকল্প এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেখানে ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি তুলনামূলক কম। প্রতিটি বাড়ির সামনে পেছনে ফাঁকা জায়গা রাখা হয়েছে। ৩০ থেকে ৪০ ফিট সড়ক রাখা হয়েছে। পাশে ৬০ থেকে ১০০ ফিট সড়ক আছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ৫ কাঠা, সাড়ে ৭ কাঠা ও ১০ কাঠার প্লটের ওপর তিন ধরনের ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ করেছি। বাড়ির অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি সুইমিং পুলও রাখা হয়েছে। নিরিবিলি পরিবেশে প্রকল্প এলাকায় সব ধরনের নাগরিক সুবিধা রয়েছে।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত