কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার দুই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন সংস্কারের অভাবে ঝুঁকিতে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। উপজেলার ১৩ নং ভাওরখোলা উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে শ্রেনী কক্ষের উপর থেকে সিমেন্ট, বালি সুরকী খসে খসে শিক্ষার্থীদের মাথায় পড়ছে। পুরো ভবনের একই অবস্থা। পাশেই আধা পাকা ভবন, সামান্য বৃষ্টি হলেই শ্রেণি কক্ষে পানি পড়ে।
এদিকে আড়াই বছর যাবৎ নির্মাণাধীন ওয়াশ ব্লকের ম্যানহুল প্রায় ২০ ফুট গভীর। ঢাকনা বিহীন অবস্থায় পরে আছে। যে কোন সময়ে শিক্ষার্থীরা খোলা ম্যানহোল/ট্যাংকিতে পরে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়া পূর্বদিক জলাশয়, নেই কোন নিরাপত্তা প্রাচীর।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহসানউল্লাহ বলেন, এতগুলো সমস্যা নিয়ে আমি খুব টেনশনে আছি। যে কোনো সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অবশ্য এ ব্যাপারে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। ১১ নং শিবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের অবস্হাও খুব নাজুক। ছাদের নিচে গ্রেট ভীমের অংশে বড় বড় ফাটল। এরই নিচে চলছে শ্রেনী কার্যক্রম।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুল হক বলেন, আমরা পাঠদান করার সময় খুব টেনশনে থাকি। কখন যেন বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যায়। আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। তারা পরিদর্শন করে গেছেন।
১৩ নং ভাওরখোলা উত্তর ও ১১ নং শিবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমস্যা গুলো সমাধানের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইসহাক মিয়া বলেন, আগামী জুন মাসে বরাদ্দ আসলে সংস্কার ও বিদ্যালয়ের সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করব।