সর্দি-কাশি বা ঠান্ডা লাগলে ঘরোয়া উপায় হিসেবে আদার ব্যবহার বহুদিনের। আদায় থাকা জিঞ্জেরল (এরহমবৎড়ষ) ও অন্যান্য সক্রিয় উপাদানের কারণে এতে প্রদাহনাশক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ফলে গলা খুসখুস, গলা ব্যথা, কাশি বা ঠা-াজনিত অস্বস্তি কিছুটা কমাতে আদা ভালো কাজ করে। তবে আদা সরাসরি সর্দি-জ¦র সারিয়ে দেয় এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। সাধারণ ভাইরাসজনিত ঠান্ডা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়। ঠা-ার সময় আদা খাওয়ার সহজ উপায় হলো আদা চা। এক কাপ গরম পানিতে ১-২ গ্রাম তাজা আদা কুচি দিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে পান করা যায়। চাইলে সামান্য মধু যোগ করা যেতে পারে। কাঁচা আদা খাবারের সঙ্গেও খাওয়া যায়।
সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দিনে মোটামুটি ২ থেকে ৪ গ্রাম তাজা আদা পরিমিত পরিমাণ হিসেবে ধরা হয়। অতিরিক্ত আদা খেলে বুকজ্বালা, পেটের অস্বস্তি বা মুখে জ্বালাপোড়া হতে পারে। যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, পিত্তথলির সমস্যা রয়েছে বা নিয়মিত ওষুধ সেবন করেন, তাদের বেশি পরিমাণ আদা খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। ঠান্ডা কমাতে আদা সহায়ক হতে পারে, তবে ঠান্ডার চিকিৎসার বিকল্প নয়।